নয়াদিল্লিঃ লাগামছাড়া সংক্রমণে নাস্তানাবুদ দেশ। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ লক্ষ ৫৮ হাজার ৩৩৩। করোনায় দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ৫৩১। এখনও পর্যন্ত ৬৭ হাজার ৬৯২ জন করোনামুক্ত হয়েছেন।

এরই মধ্যে আগামী ৩১ মে শেষ হতে চলেছে লকডাউন ৪। তবে ভারতে সংক্রমণের হার যেভাবে বাড়ছে তাতে মনে করা হচ্ছে এখনই লকডাউন ওঠা সম্ভব নয়। রবিবার মন কি বাতে পঞ্চম দফার লকডাউন ঘোষণা করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আর তা আরও দু’সপ্তাহ বাড়ানো হতে পারে শোনা যাচ্ছে।

সঙ্গে আরও নতুন কিছু শর্ত যোগ করা হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের একটি সূত্র জানাচ্ছে, এখনও পঞ্চম দফার লকডাউন নিয়ে কিছু ভাবা হচ্ছে না।

জানা যাচ্ছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ীই লকডাউন ৪ পরবর্তী ক্ষেত্রে পদক্ষেপ করতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। এব্যাপারে আলোচনা করছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ লক্ষ ৫৮ হাজার ৩৩৩। করোনায় দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ৫৩১। এখনও পর্যন্ত ৬৭ হাজার ৬৯২ জন করোনামুক্ত হয়েছেন। আগামী ৩১ মে শেষ হতে চলেছে লকডাউন ৪।

জানা গিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আগামী ১ জুন থেকে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভাবনা কেন্দ্রীয় সরকারের। আপাতত সেই বিষয়গুলি নিয়েই চূড়ান্ত পর্বের আলোচনায় ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রীর দফতর। তবে লকডাউন পরবর্তী ক্ষেত্রেও রাজ্যগুলির মতামত নিয়েই এগোনর পক্ষপাতী কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা করেই যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিতে চায় কেন্দ্র।

অন্যদিকে, পঞ্চম দফার লকডাউন ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার ৩১শে মে মন কি বাত অনুষ্ঠানে ঘোষণা হতে পারে পঞ্চম দফা লকডাউনের। এবার আরও ছাড়ের কথা জানাতে পারে কেন্দ্র। এমনটাই জানাচ্ছে একাধিক সংবাদমাধ্যম।

সূত্রের খবর এই দফায় দেশের ১১টি শহরের ওপর জোর দিতে চাইছে কেন্দ্র। যে শহরগুলিতে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ৭০ শতাংশেরও বেশি, সেই এলাকাগুলিতে বিশেষ কড়াকড়ি রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে। দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু, কলকাতা,পুনে, থানে, ইন্দোর, চেন্নাই, আহমেদাবাদ, জয়পুর ও সুরাট। এই শহরগুলির ওপর নজর রাখা হবে বলে খবর। এর মধ্যে আহমেদাবাদ, কলকাতা, দিল্লি, পুনে ও মুম্বইয়েই দেশের মোট আক্রান্তের ষাট শতাংশ রয়েছে। ফলে এই জায়গাগুলির দিকে মনোযোগ দিতে চাইছে কেন্দ্র।

জানা যাচ্ছে, কনটেনমেন্ট জ়োনে অবশ্য কোনও ছাড় নেই। অন্যদিকে, কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা ১ জুন থেকে ধর্মস্থান খুলে দেওয়ার আবেদন করলেও তা না খোলার পক্ষেই অনেকেই। ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সমাবেশ আরও এক মাস বন্ধ রাখার পক্ষে তাঁরা। শপিং মল, সিনেমা হল, হোটেল-রেস্তরাঁ হয়তো আরও কিছু দিন বন্ধ থাকবে। তবে ওই সিদ্ধান্ত রাজ্যের হাতে ছাড়তে চাইছে কেন্দ্র। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তো বন্ধই। ভবিষ্যতে প্রথমে বড় ক্লাস ও পরে প্রাথমিক স্কুলগুলি খোলার কথা ভাবা হয়েছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প