প্রতীকী ছবি

লক্ষনৌ: মহামারীর প্রভাব থেকে বাঁচতে এলাহাবাদ হাই কোর্টের নির্দেশে সোমবার রাত থেকেই উত্তর প্রদেশের বারাণসী, কানপুর, গোরখপুর, প্রয়াগরাজ ও রাজধানী লক্ষনৌতে শুরু হবে লক ডাউন। ২৬ শে এপ্রিল পর্যন্ত চলবে লক ডাউন। আর্থিক, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, বিজ্ঞান, শিল্প প্রতিষ্ঠান ও জরুরি পরিষেবাগুলি ছাড়া সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

সোমবার উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদ হাইকোর্টের তরফে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে, করোনার শৃঙ্খল ভাঙতে ১৯ এপ্রিল অর্থাৎ সোমবার রাত থেকে আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত মোট সাতদিন উত্তরপ্রদেশের প্রধান পাঁচটি শহরে সম্পূর্ণ লকডাউন কার্যকর থাকবে।

এই পাঁচটি শহর হল, বারানসী,কানপুর,লখনউ, প্রয়াগরাজ, গোরক্ষপুর।

জানা গিয়েছে, সংক্রমণ রুখতে লকডাউন চলাকালীন সময়ে সমস্ত দোকানপাট, বাজার, স্কুল,কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট স্কুল, এডুকেশন সেন্টার, পার্ক, শপিংমল, হোটেল, বার, রেস্তরাঁ, সিনেমা হল , সরকারি -বেসরকারি অফিস কাছারি, জিম, সুইমিংপুল , ক্লাব সমস্ত কিছুই বন্ধ থাকবে।

তবে লকডাউনের আওতায় পড়ছে না

১. সমস্ত ধরণের মেডিকেল স্টোর, ওষুধের দোকান, ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

২. খোলা থাকবে মুদি দোকান। তবে ৩ জনের বেশি কর্মচারী নিয়ে দোকান চালানো যাবে না।

৩. আর্থিক প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসা কেন্দ্র, এটিএম, মিউনিসিপালিটি খোলা থাকবে।

৪. আপৎকালীন পরিষেবার জন্য বেশকিছু যানবাহন চলবে।

৫. চিকিৎসা বা ওষুধের প্রয়োজনে উপযুক্ত প্রমাণ সহ বাইরে বেরোনোর অনুমতি মিলবে।

৬. এছাড়াও এই লকডাউন চলাকালীন সময়ে যদি কারও বিয়ের ডেট পড়ে তাহলে স্থানীয় জেলা প্রশাসনের তরফে অনুনতি নিয়ে করা যাবে বিয়ে। তবে লোকসংখ্যা থাকবে সীমিত।

৭. চালু থাকবে শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র।

অন্যদিকে এলাহাবাদ হাইকোর্টের তরফে এই লকডাউন ঘোষণা চলাকালীন সময়ে গোটা উত্তরপ্রদেশ জুড়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণের হার। নতুন করে যোগী রাজ্যে প্রায় ৩০,০০০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘন্টায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ছুঁয়েছে ৩০,৫৯৬। রবিবার পর্যন্ত গোটা রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১,৯১,৪৯৭ জন। আর যা ভেঙে দিচ্ছে অতীতের সব রেকর্ড। ফলে ফের বড়সড় বিপর্যয় এড়াতে এই সাতদিনের লকডাউন লাগু করেছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.