ইসলামাবাদ: ভারতের পাশপাশি এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাস থাবা বসিয়েছে পড়শি পাকিস্তানেও। তবে ইতিমধ্যে সে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে সিন্ধ, বালুচিস্তান, পঞ্জাব, খাইবার পাখতুণখোয়াতে এই ভাইরাসে আক্রান্তের হার সব থেকে বেশী। সিন্ধের মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলি শাহ জানিয়েছেন এই ভাইরাস রোধে আগামী ১৫ দিনের জন্য সিন্ধু প্রদেশকে লক ডাউন রাখা হবে। যদিও প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দেশে লক ডাউন করতে চাননি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুরাদ।

জানানো হয়েছে জমায়েত , সরকারি বেসরকারি যে কোন ভ্রমন বা সফর সহ ধর্মীয় অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে এই কিছুদিন। ইতিমধ্যে তিনি এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য ২৯০ টি ভেন্টিলেটর, ৩.২ মিলিয়ন পরীক্ষার কিট, পোর্টেবল এক্স রে মেশিন কেনার অনুমোদন দিয়েছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন দেশ জুড়ে লক ডাউন করা হলে টা অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে। তার জেরে দারিদ্রসীমার নীচে থাকা মানুষজন ক্ষতির মুখে পরবেন। এও জানিয়েছেন এই মুহূর্তে বিদেশে আটকে থাকা পাক পড়ুয়াদের দেশের স্বার্থে ফিরিয়ে আনা হবে না। এছাড়া রাজধানী ইসলামাবাদে কয়েকজন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি পাওয়া গিয়েছে।

ইতিমধ্যে বিশ্বজুড়ে এই ভাইরাস যথেষ্ট প্রভাব ফেলছে ইতালি স্পেন সহ একাধিক দেশে ক্রমেই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। থমকে নেই মৃত্যুর হারও। বেশ কয়েকটি দেশ ইতিমধ্যে এই ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরি করার প্রচেষ্টাও শুরু করেছে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে যে হারে এই ভাইরাস তার প্রভাব ফেলছে তাতে চিন্তার ভাজ পড়ছে বিশেষজ্ঞদের কপালেও।

আর এবারে ইমরান খানের সেই নীতি অমান্য করেই লক ডাউন ঘোষণা করা হচ্ছে সিন্ধুতে। ইতিমধ্যে ব্যবসা সংক্রান্ত কাজ সেখানে বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া দিন মজুর সহ গরীব শ্রমিকদের অবস্থা খুবই খারাপ। কিন্তু পরিস্থিতির কথা বিচার করে আর যাতে আক্রান্তের সংখ্যা আর না বারে সেই কারণেই সেখানকার মুখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।