ঢাকা: অবশেষে লকডাউনের পথে বাংলাদেশ। মধ্য রাত থেকে এই নিয়ম আগামী ১০ দিনের জন্য থাকবে। তীব্র করোনা ভাইরাস আতঙ্ক নিয়ে বাড়ির টানে লাখ লাখ মানুষ ছুটছেন।

করোনা সংক্রমণে ইতিমধ্যে ৫ জনের মৃত্যু হওয়ায় ভীতি প্রবল। তবে নতুন করে সংক্রমণ ছড়ায়নি। জানাচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) আগেই জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষেত্র করোনা ভাইরাস বড়সড় বিপদ। যদিও চিন, ইউরোপের ইতালি, আমেরিকাকে মৃত্যুপুরী বানিয়েছে এই ভাইরাস। হু সতর্কতা বাংলাদেশেও বড়সড় করোনা হামলা হতে পারে।

ইতিমধ্যে প্রতিবেশী ভারতে চলছে লকডাউন ও কার্ফু। আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এই অবস্থা থাকবে। করোনা সংক্রমণ রুখতে এটি এখন কার্যকরী পদ্ধতি। কারণ, ভাইরাসটি মারাত্মক ছোঁয়াচে আর এর কোনও প্রতিষেধক এখনও বের হননি।

এদিকে করোনা সংক্রমণ রুখতে বৃহস্পতিবার থেকে ১০ দিনের লকডাউন কর্মসূচি নিয়েছে আওয়ামী লীগের সরকার। বুধবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা শত্রুর মোকাবিলা করে বিজয়ী হয়েছি। করোনাভাইরাস মোকাবিলাও একটা যুদ্ধ। এই যুদ্ধে আপনার দায়িত্ব ঘরে থাকা। আমরা সকলের প্রচেষ্টায় এই যুদ্ধে জয়ী হব।

লক ডাউন বা তালাবন্ধ শুরু হওয়ায় বাংলাদেশের রাজপথ জনশূন্য হবে। নামানো হয়েছে সেনা।সরকারি-বেসরকারি অফিসগুলোতে বুধবার ছিল শেষ কর্ম দিবস।

ফলে করোনাভাইরাসের আতঙ্কে ঘরে ফেরার জন্য মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিলো রেল স্টেশন, বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে। বুধবার দুপুরের পর ভিড় আরও বাড়তে থাকে। এতেও সংক্রমণের সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে।