ঢাকা: ফের লকডাউন। এবারের করোনা পরিস্থিতির আরও চিন্তার। উদ্বিগ্ন বাংলাদেশ সরকার সোমবার থেকে টানা এক সপ্তাহের লকডাউনের পথ নিচ্ছে। তবে এই পর্যায়ে পেশাক শিল্প কারখানা খোলা থাকবে।

এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার নিয়েছে, এমন জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণমন্ত্রী তথা আওয়ামী লীগ দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সম্প্রতি বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ তীব্র হয়েছে। মৃত্যুর হার দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কড়া নির্দেশ জারি করেছে সরকার।

প্রথম করোনা ঢেউ সামলে উঠে নতুন করে সব শুরুর পর ফের দ্বিতীয় ঢেউ এসেছে এই জীবানুর। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। গতবছর ১৮ মার্চ প্রথম করোনায় মৃত্যুর কথা জানানো হয়। এরপর মহামারি নিয়ন্ত্রণে গত বছরের ২৩ মার্চ প্রথমবারের মত ‘সাধারণ ছুটি’ ঘোষণা করে সরকার।

সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে টিকা দেওয়ার কাজ শুরুর মাঝেই করোনার হামলা এতটাই বেশি যে একের পর এক পর্যটন এলাকা বন্ধ করা হয়েছে। প্রথমে কক্সবাজার পরে সুন্দরবন পর্যটক শূন্য করা হয়। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আরও বেশি সংক্রামক বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দেশে ৬ লক্ষ ২৪ হাজার ৫৯৪ জন করোনা আক্রান্ত। মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ১৫৫ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪১১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬ হাজার ৮৩০ জনের দেহে এই ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে।

করোনা মোকাবিলায় মাস্ক জরুরি। সরকার যাবতীয় চিকিৎসা পরিকাঠামো তৈরি রেখেছে বলেই জানানো হয়েছে।নিজের সুরক্ষায় সবার সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করাই এখন মূল কাজ।স্বাস্থ্যবিধির প্রতি অনিহা দেখাচ্ছে, যা প্রকারান্তরে ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে আসতে পারে। এমনই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২ দিনের সফরে সফরে শুক্রবারেই বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁর বক্তৃতায় উঠে আসে করোনার কথা। প্রধানমন্ত্রী জানান, আজ দুই দেশই একসঙ্গে অত্যন্ত দৃঢ় ভাবে এই মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকা দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে মোদী বলেন, ভারতে তৈরি টিকা বাংলাদেশের নাগরিকদের কাছে পৌঁছানোকে দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করেই ভারত কাজ করছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।