মুম্বই: ক্রমশই বাড়ছে সংক্রমণ। তাই লকডাউন শিথিল হওয়ার পরিবর্তে আরও বেড়ে গেল মহারাষ্ট্রের অমরাবতীতে। ৮ মার্চ পর্যন্ত এলাকায় চলবে সম্পূর্ণ লকডাউন। গত কয়েকদিন এলাকায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।

মহারাষ্ট্রের অমরাবতী ও আঁচলপুরে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জারি ছিল লকডাউন। পরিস্থিতি দেখে ১ মার্চ পর্যন্ত তা বাড়ানো হয়। কিন্তু এখনও আয়ত্তে আসেনি সংক্রমণ। তাই আরও ৭ দিন লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। আগামী ৮ মার্চ পর্যন্ত এই দুই এলাকায় জারি থাকবে লকডাউন। এছাড়া অঞ্জনগাঁও সুরজি গ্রামকে কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। লকডাউন চলাকালীন জরুরী পণ্য ছাড়া আর কিছু পাওয়া যাবে না। সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এছাড়া সিনেমা হল, সুইমিং পুল, পার্ক ও ধর্মীয় স্থানও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অমরাবতী ছাড়া আকোলা, ওয়াসিম, বুলধারা, যাবাতমল এলাকাতেও ছড়িয়েছে করোনা। ফলে এই সব এলাকাতেও একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। লাতুর জেলাতেও হু হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় লাতুর জেলায় আজদ শনিবার ও আগামিকাল রবিবার জনতা কারফিউ ঘোষণা করেছেন জেলাশাসক। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে এই দুদিন অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া জেলাবাসীকে বাড়ির বাইরে বেরোতে নিষেধ করা হয়েছে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে জেলাজুড়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনা মোকাবিলায় এবার আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। মাস্ক না পরলে এবার জরিমানা করা হবে।

দেশে করোনার সংক্রমণ উদ্বেজনক হওয়া শুরু করতেই জনতা কারফিউ ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এরপরই দেশজুড়ে শুরু হয়ে যায় লকডাউন। এক বছর ধরে করোনার করাল গ্রাসে গোটা বিশ্ব। ভাইরাসের ভয়ঙ্কর প্রভাব এরাজ্যেও। মহারাষ্ট্রেই করোনার সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়িয়েছিল শুরু থেকে। নিউ নর্মাল পরিস্থিতিতে ধীরে ধীরে সংক্রমণ কমতে থাকে সেরাজ্যে। তবে সম্প্রতি ফের মহারাষ্ট্রে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। যা নিয়ে ঘোর উদ্বেগে উদ্ধব ঠাকরের সরকার। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দফায়-দফায় বৈঠক রাজ্য প্রশাসনের কর্তাদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.