আহমেদাবাদ: গোটা গুজরাতে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত মোট ৬৬২৫ জন করোনা আক্রান্তের মধ্যে ৪৪৩৫ জনই আহমেদাবাদের বাসিন্দা। মাত্রাছাড়া সংক্রমণে লাগাম পরাতে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই পুরোপুরি লকডাউন শুরু আহমেদাবাদে।

সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে এক সপ্তাহের জন্য শহরে পুরোপুরি লকডাউন ঘোষণা করেছে প্রশাসন। ইতিমধ্যেই গুজরাতের রাজধানীতে শুরু আধা সামরিক বাহিনীর টহল।

মারণ করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে গোটা আহমেদাবাদ শহরে পুরোপুরি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। লকডাউনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে ওষুধ ও দুধের দোকানকে।

মারণ করোনায় ইতিমধ্যেই গুজরাতের ২৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মহারাষ্ট্রের পর, দেশে করোনা ভাইরাস সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত গুজরাতে। গোটা রাজ্যের মধ্যে রাজধানী আহমেদাবাদের অবস্থাই সবচেয়ে বিপজ্জনক।

প্রতিদিন আহমেদাবাদে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। পরিস্থিতি আরও ভযঙ্কর হয়ে ওঠার আশঙ্কা করছে রাজ্য সরকার। সেই কারণেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে আহমেদাবাদে পুরোপুরি লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ছে। লকডাউন বজায় রাখতে শহরে আরও পাঁচ কোম্পানি অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

আহমেদাবাদে সন্ধে ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বাড়ির বাইরে বেরনোয় সম্পূর্ণরূপে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

আহমেদাবাদ পুরনিগম জানিয়েছে, সুপার মার্কেট, মুদির দোকান এবং সব্জির দোকানগুলি ১৫ মে পর্যন্ত পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় আপাতত শহরে নিষিদ্ধ করা হয়েছে খাবারের হোম ডেলিভারিও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.