নয়াদিল্লি: সবে মাত্র ৮ দিন। এখনও তালাবন্ধ অবস্থায় কাটাতে হবে অনেক গুলিদিন। তারপরেও মারণ এই ভাইরাসের হাত থেকে মুক্তি মিলবে কিনা, তা এক্ষুনি বলা সম্ভব নয়। তবে ছোঁয়াচে এই ভাইরাসের থাবা থেকে বাঁচতে আমাদের সকলেরই ঘরে থাকাটা একান্ত জরুরি। এমনটাই জানাছে দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

তবে শুধুমাত্র লকডাউন হয়ে ঘরে বসে থাকলাম, আর যা ইচ্ছা তাই করলাম। এমনটা করলে মোটেও কিন্তু চলবে না। কারন, এই সময় আমাদের সকলের ভালোর কথা ভেবে সদা সর্তক এবং সচেতন থাকতে হবে। যাতে করোনার কাঁটা এদেশে বেশি প্রভাব বিস্তার না করতে পারে।

ফলে লকডাউনের দিনগুলি বাড়ির মধ্যোই কাটান। অযথা বাইরে ঘোরাঘুরি করবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতেও পারে। কারন, বিপদ কখন কোন দিক থেকে আসবে তা কারও পক্ষেই বলা সম্ভব নয়।

এদিন একটি বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, লকডাউন মেনে চলুন। এছাড়াও ঘরে বসে অবসর যাপনের সময় ধূমপান এবং মাদক দ্রব্য সেবন এড়িয়ে চলুন। এতে আমাদের শরীরের উপর নানা কূপভাব পড়ে। যা কখনই কাম্য নয়।

এছাড়াও লকডাউনের দিনগুলিতে কোনও কাজ খুঁজে না পেয়ে অতিরিক্ত সিগারেট বা অ্যালকোহল পান করবেন না। এতে শরীরের ইমুউনিটি পাওয়ার কমে যায়। কর্মক্ষমতা হ্রাস পাই। শুধু তাই নয়, এতে ঝিমুনি ভাব আসে যারফলে শরীরে নানা রোগ বাসা বাঁধতে শুরু করে।

এছাড়াও স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে আরও বলা হয়েছে যে, মারণ ভাইরাস করোনার হাত থেকে বাঁচতে যেমন নিজেরদের সর্তকতা মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। তেমনই, নিজের পরিবারের বা আশেপাশের চেনা পরিচিত কারও এই রোগের উপসর্গ বা জ্ব্রর সর্দিকাশি হলেও অবিলম্বে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এছাড়াও, এই সময় সমস্ত ধরনের সর্তকতা মূলক পদক্ষেপ মেনে চলা উচিত। যাতে করোনাভাইরাস না ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এদিন মন্ত্রকের তরফে আরও বলা হয়েছে যে, লকডাউনের সুফল পেতে আমাদের প্রত্যেকেরই সরকারের সমস্ত গাইডলাইন মেনে চলা উচিত।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও