নয়াদিল্লি: বিশ্বের তৃতীয় জ্বালানি উপভোক্তার বাস ভারতে। তাদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে রান্নার গ্যাস পেট্রোল ডিজেল রয়েছে। তাছাড়া তিন সপ্তাহের লকডাউন চললেও এইসব জ্বালানির উৎপাদন এবং সরবরাহের কাজ চলছে ফলে গ্রাহকদের তা পেতে কোনও অসুবিধা হবে না বলে জানিয়েছেন, ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের (আইওসি) চেয়ারম্যান সঞ্জীব সিং। আইওসি কর্তা নজর রাখছেন ‌যাতে দেশের প্রতিটি কোনায় জ্বালানি ঠিকমত পৌঁছে যেতে পারে ‌ এই ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণার পর থেকে।

তিনি জানিয়েছেন, দেশে জ্বালানির অভাব হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই এবং তাই তিনি গ্রাহকদের অনুরোধ করেছেন অযথা আতঙ্কিত হয়ে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং না করতে। তিনি জানিয়েছেন, গোটা এপ্রিল মাস এবং তারপরে কেমন চাহিদা থাকবে তার একটা মানচিত্র তৈরি করেছেন। চাহিদা মেটাতে শোধনাগারগুলিতে কাজ চলছে পর্যাপ্ত পর্যায়ে।

এছাড়া স্বাভাবিক কাজ হচ্ছে বাল্ক স্টোরেজ পয়েন্ট, এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরগুলিতে এবং পেট্রোল পাম্পে। ফলে জ্বালানির কোন অভাবই নেই বলে তিনি জানান। দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা হওয়ায় থেমে গিয়েছে দৈনন্দিন ব্যবসা বাণিজ্য,ট্রেন ও উড়ান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। বলতে গেলে পুরোপুরি রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর ফলে পেট্রোল ডিজেল এবং এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলের(এটিএফ) চাহিদা ভীষণ ভাবে কমে গিয়েছে।

এই লকডাউনের ফলে বলতে গেলে রাস্তা থেকে উধাও হয়েছে গাড়ি মোটরসাইকেল ইত্যাদি। যার ফলে দেখা গিয়েছে মার্চ মাসে পেট্রোলের চাহিদা ৮ শতাংশ নেমে গিয়েছে। ‌ অন্যদিকে ডিজেলের চাহিদা কমেছে ১৬ শতাংশ আর এটিএফের ২০ শতাংশ চাহিদা কমে গিয়েছে । তবে অবশ্য দেখা গিয়েছে হঠাৎ এলপিজি সিলিন্ডারের রিফিল করার চাহিদা লাফ দিয়ে ২০০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব