কলকাতাঃ করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় নজিরবিহীন পদক্ষেপ। আগামিকাল সোমবার বিকেল পাঁচটা থেকে কলকাতা সহ পুর-এলাকায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। মারন ভাইরাসের সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেই কারণেই এই পদক্ষেপ। কর না পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোমবার থেকেই রাজ্যজুড়েই এই লকডাউন। আপাতত ২৭ মার্চ পর্যন্ত কলকাতাসহ রাজ্যের জেলা সদরে লকডাউন ঘোষণা রাজ্য প্রশাসনের। ২৭ তারিখ পর্যন্ত সমস্ত গণপরিবহন ব্যবস্থা বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি এবং বেসরকারি পরিবহনও ব্যবস্থা বন্ধ থাকবে।

আগামীকাল সোমবার বিকেল পাঁচটা থেকে এই ব্যবস্থা চালু হবে। রাজ্যবাসীকে প্রশাসনের সঙ্গে এই পরিস্থিতিতে সব রকম সহায়তার আবেদন জানানো হয়েছে।

সোমবার বিকেল পাঁচটা থেকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও সোমবার রাজ্যের সরকারি বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকছে। লকডাউন চলাকালীন অফিস-আদালতের পাশাপাশি সব কারখানা ওয়ার্কশপ বন্ধ থাকবে। প্রকাশ্যে সাত জনের বেশি জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা থাকছে। সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেই কারণে এই পদক্ষেপ।

 

তবে লকডাউন চলাকালীন স্বাস্থ্যপরিসেবা, বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক থাকবে বলে নবান্নের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সাফাই কর্মীরাও তাদের দৈনন্দিন কাজ করবেন। লকডাউনের আওতার বাইরে থাকছে ওষুধের দোকান, চশমার দোকান, টেলিকম সেক্টর, ইন্টারনেট, লকডাউনের আওতার বাইরে মুদির দোকান, রেশন দোকান, জল,মাছ, মাংসের দোকান। স্বাভাবিক পরিষেবা পাওয়া যাবে দুধের দোকান থেকেও।

লকডাউন চলাকালীন অনলাইনে মুদি সামগ্রী নেওয়া যাবে হোম ডেলিভারি করে। লকডাউনের আওতার বাইরে থাকবে পেট্রোল পাম্প, এটিএম পরিষেবা। ছাড় দেওয়া হচ্ছে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং সোশ্যাল মিডিয়াকেও। বেশ কিছু ব্যাংক এবং এটিএমকেও লক ডাউনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

মারণ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া এড়াতে ইতিমধ্যেই একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করেছে রাজ্য সরকার। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের সুপারিশেই রাজ্যে লক ডাউন ঘোষণা করা হলো। করোনার সংক্রমণ রুখতে আপাতত আগামী মার্চ পর্যন্ত রাজ্যবাসীকে ঘরে থাকতে অনুরোধ রাজ্য সরকারের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।