কলকাতা:  লকডাউন নিয়ে এবার কড়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের। রাজ্যগুলিকে এই মর্মে ইতিমধ্যেই নির্দেশিকা পাঠিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। লকডাউন না মানলে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার এই আইনে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জেল হতে পারে বলে ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে।

রাজ্যে রাজ্যে লক ডাউনের ঘোষণা হলেও অনেকেই তা মানছেন না। বরং এই পরিস্থিতিতে অনেককেই রাস্তায়, চায়ের দোকানে, পাড়ার মোড়ে আড্ডার মেজাজে দেখা যাচ্ছে মানুষজনকে। রীতিমত আয়েশ করে ছুটির শহরের সুযোগে সোশ্যাল মিডিয়ায় আড্ডার সেই ছবি পোস্ট করতেও দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নজরে এসেছে কেন্দ্রীয় সরকারের। কড়া ভাষায় টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কেউ যে লক ডাউন মানছেন না তাও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। কড়া ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

অন্যদিকে, করোনা সংক্রমণ রুখতে সোমবার বিকেল থেকে ১৩ রাজ্যের ৮০টি শহরে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার সকালে লকডাউন নিয়ে রাজ্যগুলিকে নির্দেশ পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই নির্দেশে বলা হয়েছে লকডাউন না মানলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে হবে। কোন ব্যক্তি লকডাউন না মানলে তার ছয় মাসের জেল হতে পারে। ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় এই মর্মে রাজ্যের তরফে ঘোষণা শুরু হয়েছে. কেন্দ্রের নির্দেশিকা নিয়ে ঘোষণা চলছে।

আজ সোমবার সকাল পর্যন্ত দেশজুড়ে ৪১৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে। প্রত্যেককেই কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। লকডাউন মেনে চলার জন্য দেশবাসীকে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার সকালে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে মোদীর টুইট, লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পরেও অনেকে তা মানছেন না। দয়া করে নিজেকে ও নিজের পরিবারকে মারন ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচান। রাজ্যগুলি লকডাউন মেনে চলার জন্য আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নিক।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই আবেদনের পরেই তা কার্যকর করতে তৎপর হয়েছে রাজ্য সরকার। জেলায় জেলায় লকডাউন মেনে চলার জন্য রাজ্যের তরফে ঘোষণা করা শুরু হয়েছে। নাগরিকদের লকডাউন মেনে চলতে বলা হচ্ছে। লকডাউন না মানলে ৬ মাসের জেল সঙ্গে ১০০০ টাকা জরিমানা হতে পারে। এই মর্মে জেলায়-জেলায় ঘোষণা শুরু হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।