কলকাতা: নো স্কুল নো ফি এর দাবিতে বিভিন্ন স্কুলে অভিভাবকদের বিক্ষোভ চলছে। শুক্রবার সকালে রাজারহাট দিল্লি পাবলিক স্কুলের গেটের সামনেও অভিভাবকরা বিক্ষোভ শুরু করে। কিন্তু অভিভাবকদের সেই বিক্ষোভকে বাধা দেন স্থানীয় কিছু মহিলা ও যুবকরা।

অভিযোগ, স্থানীয় যারা বিক্ষোভে বাধা দিয়েছে তারা ওই স্কুলের বিভিন্ন কাজে নিযুক্ত। বিক্ষোভ ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। ঘবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শুক্রবার সকাল ১১ টা নাগাদ রাজারহাট মেগাসিটি দিল্লি পাবলিক স্কুলের গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে অভিভাবকরা। সেই সময় স্থানীয় কিছু যুবক এবং মহিলা পাল্টা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে অভিভাবকদের বিরুদ্ধে। শুরু হয়ে যায় দুপক্ষের বচসা। যদিও সূত্র মারফত খবর এই মহিলা এবং যুবকরা ওই স্কুলে কর্মরত।

স্থানীয়দের দাবি, করোনা আবহে এরা বাইরে থেকে এসে স্কুলের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে।ফলে এই শান্ত পরিবেশে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে । সেই কারণে অভিভাবক দের এখান থেকে চলে যেতে বলা হয়। পাল্টা অভিযোগ, স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখানোর নামে নিজেরাই সোশ্যাল ডিস্টেন্স মেন্টেন্ট করেননি। এর আগে নো স্কুল নো ফি এই দাবিতে নিউটাউন ডিপিএস স্কুলের গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছে অভিভাবকরা ।

করোনার জেরে স্কুল বন্ধ রয়েছে। এই সময় অনলাইনে ক্লাস চলছে নিউটাউনের দিল্লি পাবলিক স্কুলে। অভিভাবকদের দাবি, নো স্কুল, নো ফি। টিউশন ফি, ট্রান্সপোর্ট ফি সহ বেশ কিছু ফি না নেওয়ার দাবিতে বেশ কিছুক্ষণ অভিভাবকরা বিক্ষোভ দেখায়। ঘটনাস্থলে টেকনো সিটি থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও এই বিষয়ে স্কুলের কোনও প্রতিক্রিয়া জানা জায়নি ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।