স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: হাওড়ার বালি-চামরাইল রোডের হাল বর্তমানে বেহাল। কার্যত প্রাণ হাতে নিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। শহর হাওড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বালি-চামরাইল রোড। এই রাস্তাটি জয়পুর বিল থেকে শুরু করে বেনারস রোড হয়ে মিশেছে ৬নং জাতীয় সড়কে। এই রাস্তাটি জাতীয় সড়কে যাওয়ার জন্য ‘শর্টকাট’ রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এই রাস্তা দিয়ে চলে ভারি মালবাহী যান। ৫ কিমি দীর্ঘ এই রাস্তাটি গিয়েছে হাওড়ার জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এবং চামরাইল গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্য দিয়ে। এই রাস্তার দুই পাশ দিয়ে রয়েছে একাধিক কারখানা এবং গোডাউন। এমন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটির হাল বেহাল।

প্রশাসনের কাছে একাধিকবার এই রাস্তার সারাইয়ের দাবি জানানো হলেও এখনও তা সারানো হয়নি বলে অভিযোগ এলাকার মানুষের৷ দিনের পর দিন রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় সেখান দিয়ে যান চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধায়ক মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বিধায়ক তহবিলের টাকায় ২০১৩ সালে এই রাস্তা সারাইয়ের কাজ হয়েছিল। পরবর্তীকালে ২০১৪ সালে এখানে পাইপ লাইন বসানোর কাজ শুরু হয়। সেচ দফতরের অধীনে এই কাজ শুরু হয়েছিল। পাইপ লাইন বসানর জন্য খোঁড়া হয় রাস্তা। এরপর পাইপ লাইনের কাজ শেষ হওয়ার পরেও ঠিকভাবে রাস্তাটি সারানো হয়নি।

এলাকার মানুষ বলছেন এই রাস্তা দিয়ে বেশিরভাগ বড় বড় লরি চলে৷ এতে রাস্তায় চাপ পড়ে আরও অবস্থা খারাপ হচ্ছে৷ এই রাস্তা দিয়ে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে বলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ।

আরও পড়ুন : অধীরের কাছে হার স্বীকার সোমেন মিত্রর

জানা গিয়েছে, এই রাস্তাটি অত্যন্ত সংকীর্ণ। প্রস্থ প্রায় ১৩-১৪ ফুট। বাসিন্দাদের বক্তব্য, একটা লরি গেলে পাশ দিয়ে আরেকটি গাড়ি যেতে সমস্যা হয়। এরই মধ্যে রাস্তা খারাপ হওয়ায় সেই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা একপ্রকার অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এমন গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা সারাইয়ের ব্যাপারে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? এই প্রসঙ্গে জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য গোবিন্দ হাজরা জানিয়েছেন, ‘টেন্ডার হয়ে গিয়েছে৷ দ্রুত রাস্তা সারাইয়ের কাজ শুরু হবে। এখানে তিনটে গ্যারেজ আছে। সর্বক্ষণ মাল লোডিং–আনলোডিং হয় এখানে। এটি চামরাইল গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে পড়লেও রাজ্য সরকারের কাছে দরবার করেছি।’

আরও পড়ুন: দুর্গাপুজো করার কথা উনি বলছেন, এ যেন ভূতের মুখে রাম নাম: VHP

এই বিষয়ে স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘এই রাস্তাটি সারানোর জন্য টাকার অনুমোদন হয়ে গেছে। বর্ষা এরপর পুজোর জন্য কাজ কিছুদিন বন্ধ ছিল। বর্ষা শেষ। পুজোও শেষ হয়ে গেছে। এবার ওই রোডের কাজ শুরু হবে।’

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও