হায়দরাবাদ: একই ট্র্যাকে চলে এল দুই ট্রেন। ট্রেনের ধাক্কায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা। দুটিই লোকাল ট্রেন বলে জানা গিয়েছে। হায়দরাবাদে ঘটনাটি ঘটেছে।

হায়দরাবাদের কাচেগুড়া স্টেশনে এই ঘটনা ঘটে সোমবার সকালে। যাত্রী বোঝাই দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটলে, আহত হয়েছেন অনেকে। একটি লোকাল ট্রেন ও অপর এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষে এই ঘটনা ঘটেছে।

অন্তত ১০ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাও্য়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই সেখানে ছুটে যান রেল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন। সুত্রে খবর, লোকাল ট্রেনের চালক দীর্ঘক্ষণ আটকে ছিলেন ট্রেনের ভিতর।

আরও পড়ুন:  জিও নিয়ে এল ১৪৯ টাকার নতুন প্ল্যান

ঠিক সকাল সাড়ে ১০ টা নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে। এমএমটিএস লোকাল ট্রেনটি লিঙ্গমপল্লী থেকে আসছিল, যাচ্ছিল ফলকনুমার দিকে। আর এক্সপ্রেস ট্রেনটি কুরনুল থেকে সেকেন্দরাবাদের দিকে যাচ্ছিল। একই ট্র্যাকে চলে আসে ট্রেন দুটি। সিগন্যালিং সিস্টেমে সমস্যার জন্য এই ঘটনা ঘটেছে।

তবে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, সিগন্যাল ঠিকভাবে দেখতে পাননি লোকাল ট্রেনের চালক। সেইজন্যই এই দুর্ঘটনা ঘটে। যদিও, দুটি ট্রেনের গতি কম থাকায় দুর্ঘটনা বেশি বড় আকার নেয়নি। স্থানীয়দের ওসমানিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: অযোধ্যা মামলা: জামাত ইসলামি বাংলাদেশের নজরে ‘মানবাধিকার হরণ’

গত জুন মাসে এরকমই একটি লোকাল ট্রেনের দুর্ঘটনা ঘটে এরাজ্যের শ্রীরামপুরে। লোকাল ট্রেনে ধাক্কা মারে লোকো ইঞ্জিন। চালক সহ ১২ জন আহত হন৷ স্টেশনে ঢোকার মুখে এই দুর্ঘটনা ঘটে ২ নং প্ল্যাটফর্মে৷ লাইন মেরামতি চলাকালীন লোকো ইঞ্জিনে ধাক্কা লাগে বলে জানা যায়।

চলতি বছরেই বিহারে লাইনচ্যুতহয়ে যায় সীমাঞ্চল এক্সপ্রেসের ৯টি কামরা৷ কমপক্ষে পাঁচজন যাত্রীর মৃত্যু হয়৷ দুর্ঘটনায় বেশ কিছু যাত্রী আহত হন৷ বিহারের বৈশালী জেলার হাজিপুরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ট্রেনটি৷ ঘড়ির কাটায় তখন ভোর ৩টে ৫৮ মিনিট৷ অধিকাংশ যাত্রী তখন ঘুমিয়ে৷ এমন সময় দিল্লিগামী সীমাঞ্চল এক্সপ্রেসের ন’টি কামরা বেলাইন হয়ে যায়৷ যার মধ্যে ছিল তিনটি স্লিপার কোচ, একটি জেনারেল ও একটি এসি কোচ৷ বেসরকারি সূত্রের মতে, ৯টি কোচ মিলিয়ে শতাধিক যাত্রী ছিল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।