কলকাতা: প্রায় এক সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। এখনও চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে লন্ডভন্ডের ছবি। বহু জায়গায় এখনও আসেনি বিদ্যুৎ। কোনও রকমে কিছু কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ ফিরিয়েছে সিইএসসি। এই দুর্যোগের মধ্যেই ফের কালবৈশাখীর দাপট। ঘন্টায় ৯৬ কিমি বেগে কলকাতা এবং শহরতলিতে আছড়ে পড়ল কালবৈশাখী। যার ফলে নতুন করে ফের কিছু জায়গায় দুর্যোগ শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

শুধু তাই নয়, নতুন করে ফের কিছু জায়গা থেকে লোডশেডিংয়ের খবর আসতে শুরু করেছে। যেমন, ঝড় শুরু হতেই বাগুইআটি অশ্বিনীনগরে চলে যায় বিদ্যুৎ। পাশাপাশি বিদ্যুৎ নেই যাদবপুরের বিভিন্ন অংশে। যার ফলে নতুন করে তৈরি হয়েছে সমস্যার মধ্যে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে, এখনও পর্যন্ত বহু অংশে ঠিক মতো বিদ্যুৎ আসেনি। আজ বুধবারও বিভিন্ন জায়গা থেকে বিক্ষোভের খবর এসেছে। নতুন করে কালবৈশাখীতে বিদ্যুৎ আসা নিয়ে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

অন্যদিকে, বিভিন্ন জায়গায় নতুন করে গাছ পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। কলকাতা পুরসভা প্রতি মুহূর্তের জন্যে সজাগ রয়েছে। শুধু কলকাতা নয়, জেলার বিভিন্ন অংশে এদিন ঝড়-বৃষ্টির খবর পাওয়া যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, আজ বুধবার মরসুমের সর্বোচ্চ গতির কালবৈশাখী দেখল কলকাতা। ৯৬ কিলোমিটার বেগে ঝড় হল শহরে। বুধবার বিকেল থেকে আকাশে মেঘের আনাগোনা ছিল। সন্ধ্যা ৬.২৩ মিনিটে শুরু হয় ঝড়। দমকা হাওয়ার গতি ফেরায় আমফান আতঙ্ক।

১৭ এপ্রিল ২০১৮ কলকাতায় ৯৮ কিলোমিটার গতির কালবৈশাখী হয়েছিল। সেই রেকর্ড থেকে একটু পিছনে থাকল আজকের ঝড়। আমফান ক্ষত সামলাতে হিমশিম রাজ্য। তার মাঝেই কালবৈশাখী হানা দিল রাজ্যে। হাওড়া , কলকাতা, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা ,দক্ষিণ ২৪ পরগনায় শুরু বজ্র বিদ্যুৎসহ বৃষ্টিও হয় প্রত্যেক জেলাতেই। এদিন সকাল থেকেই কলকাতা সহ সমস্ত জেলাতেই গুমোট গরম ছিল।

কলকাতায় বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তিন ডিগ্রি বেশি। কিন্তু মঙ্গলবারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। আর এভাবেই ভারসাম্য বজায় থাকছে পারদের। তাপমাত্রাকে দিনভর অস্বস্তিকর করে তুলছে না।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প