স্টাফ রিপোর্টার, দুর্গাপুর: দুর্গাপুজোর সময় বড়সড় বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মুখে পড়ল ইস্পাতনগরী দুর্গাপুর। বুধবার সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ আচমকাই গোটা ইস্পাতনগরীতে বিদ্যুৎ চলে যায়। স্তব্ধ হয়ে যায় কলকারখানার উৎপাদনও। এই পরিস্থিতিতে মাথায় হাত পড়েছে পুজো উদ্যোক্তাদের।

এনএসপিসিএল সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে বয়লারে ‘অয়েল গান সাপোর্ট’ দিতে গেলে ‘মিস ফায়ার’ হয়ে যান গানটি। সঙ্গে সঙ্গেই ‘ম্যানুয়াল’ ট্রিপ করানো হয় ১ নম্বর ইউনিটকে।

ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে ডিএসপি কর্তৃপক্ষ ইস্পাতনগরীর বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এদিকে, আচমকা বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় পুজোর প্রস্তুতিও ধাক্কা খায়।

জানা গিয়েছে, এনএসপিসিএলের ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্টে মোট ২ ইউনিট আছে। ডিএসপির জন্য লাগে ৮০ মেগাওয়াট, অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের জন্যে ১৫ মেগাওয়াট। ইস্পাতনগরীর জন্যে দৈনিক গড়ে ১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লাগে। দৈনিক গড়ে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন ক্ষমতা দুটি ইউনিটের।

বিপর্যয়ের ফলে ২ নম্বর ইউনিটের বিদ্যুৎ শুধুমাত্র কারখানার উৎপাদনের জন্যে ব্যবহার শুরু হয়। ডিএসপির জনসংযোগ আধিকারিক বেদবন্ধু রায় জানান, “ সাময়িক বিপর্যয়ের কারণেই ইস্পাতনগরীর বিদ্যুত পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে স্বাভাবিক যোগান শুরু হলে পরিষেবাও স্বাভাবিক হয়ে যাবে।”

কিছুদিন আগেই রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে উৎসবের মরশুমে রাজ্যের কোথাও কোনও বিদ্যুৎ বিভ্রাট হবে না।

পুজোয় বিদ্যুতের এক মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি যাতে না হয়, তার জন্য সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু পঞ্চমীর দিন দুর্গাপুরের এই ঘটনাই বুঝিয়ে দিল, মুখে বললেও রাজ্যের বিদ্যুৎ দফতর পুরোপুরি প্রস্তুত নয়।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I