লন্ডন: ঘরোয়া লিগে ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে টানা ৬ ম্যাচে হার। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের সাম্প্রতিক করুণ পারফরম্যান্স দেখে আঁতকে উঠছেন অনেকে। ২৮ ম্যাচে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থানে থাকা ম্যাঞ্চেস্টার সিটি থেকে যোজন দূরে অবস্থান করছে তারা। কিন্তু প্রিমিয়র লিগ ভরাডুবির মধ্যেই লিভারপুল সমর্থকদের কাছে টাটকা বাতাস বয়ে নিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। গতবারের সেমিফাইনালিস্ট আরবি লেইপজিগকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটে পৌঁছে গেল জুর্গেন ক্লপের দল।

প্রথম লেগে নিরপেক্ষ ভেন্যু বুদাপেস্টে লেইপজিগকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টারে এক পা বাড়িয়েই রেখেছিল লিভারপুল। বুধবার ফের একবার পুসকাস এরিনায় এনার্জি ড্রিংক রেডবুলের মালিকানাধীন জার্মান ক্লাবটিকে ২-০ গোলে হারাল ক্লপের ছেলেরা। অর্থাৎ, অ্যাগ্রিগেটে ৪-০ গোলে গতবারের সেমিফাইনালিস্টদের একপ্রকার উড়িয়ে দিয়েই শেষ আটে পা রাখল ক্লপের দল। দ্বিতীয় লেগে লিভারপুলের হয়ে জোড়া গোল মোহামেদ সালাহ এবং সাদিও মানের।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এদিন অ্যাওয়ে ফ্রম হোম ম্যাচে ক্লপের দল প্রত্যাশার চাপ সামলে অনেক বেশি লিভারপুল সুলভ। ম্যাচ শেষে ক্লপ জানান, ‘ছেলেরা আজ অসাধারণ খেলেছে। আমাদেরকে প্রিমিয়র লিগের কথা ভুলে গিয়ে এই ম্যাচে পারফর্ম করতে হত। ছেলেরা প্রিমিয়র লিগ থেকে বেরিয়ে এসে খুব উপভোগ করে ম্যাচটা খেলেছে সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ সালাহ জানান,’প্রিমিয়র লিগে আমরা বেশ কিছু ম্যাচ হেরে চাপে ছিলাম। দলটা কোনওভাবেই সেরা ছন্দে ছিল না। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আমরা লড়াই করতে চেয়েছিলাম। সুতরাং আমাদের জন্য বড় ফলাফল এটা।’

ম্যাচের কিক-অফের বাঁশি বাজার পর থেকেই পুরোপুরি আক্রমণে ঝাঁপায় ক্লপের দল। প্রথমার্ধে সুযোগ তৈরি হলেও গোল তুলে নিতে পারেনি রেডস’রা। দিয়োগো জোটা, সালাহদের গোলের ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ান লেইপজিগের হাঙ্গেরিয়ান গোলরক্ষক পিটার গুলাসি। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল দু’টো দলই। কেভিন কাম্পলের দূরপাল্লার শট রক্ষা করেন অ্যালিসন বেকার। একটি প্রয়াস ক্রসবারেও প্রতিহত হয়। তবে সহজ সুযোগ অনেক বেশি এসেছিল লিভারপুলের কাছেই।

অবশেষে জোড়া সহজ সুযোগ নষ্টের পর ৭০ মিনিটে লেইপজিগ রক্ষণের লকগেট ভাঙেন সালাহ। জোটার পাস থেকে বিপক্ষের দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ-পায়ের শটে গুলাসিকে পরাস্ত করেন সালাহ। চার মিনিট বাদে গোল মানের। ডিভোক ওরিগির ডানপ্রান্তিক ক্রস থেকে দলের হয়ে দ্বিতীয় গোল নিশ্চিত করেন মানে। সেইসঙ্গে শেষ আট পাকা হয়ে যায় লিভারপুলের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.