শেফিল্ড: ব্যর্থতার সরণি থেকে বেরিয়ে এল ‘দ্য রেডস’৷ রবিবার প্রিমিয়র লিগের পয়েন্ট তালিকার শেষ দিকে থাকা দল শেফিল্ড ইউনাইটেডকে হারিয়ে জয়ে ফিরল লিভারপুল৷ প্রতিপক্ষের মাঠে ২-০ ব্যবধানে জিতল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। কার্টিস জোন্স ও ব্রায়ানের আত্মঘাতী গোলে শাপমুক্ত হল ইয়ুর্গেন ক্লপের দলের৷

প্রথমার্ধে পাঁচ-পাঁচটি সেভ করে লিভারপুলকে আটকে দিয়েছিলেন শেফিল্ড ইউনাইটেড গোলরক্ষক অ্যারন র‌্যামসডেল। কিন্তু বিরতির পর আর পারলেন না তিনি। শেফিল্ডকে হারিয়ে ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এল লিভারপুল৷ প্রিমিয়র লিগে টানা চার ম্যাচ হারের পর জয়ের স্বাদ পেল ‘দ্য রেডস’৷ ছন্দহীন পারফরম্যান্সে একের পর এক ম্যাচ হেরে শিরোপা জয়ের দৌড়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে লিভারপুল। প্রিমিয়র লিগে শেষ ১১টি ম্যাচের মধ্যে এটি তাদের দ্বিতীয় জয়। ২৬ ম্যাচে ১২টি জয় ও সাতটি ড্র করে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে লিভারপুল। আর ৬২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ম্যাঞ্চেস্টার সিটি।

রবিবারটা অবশ্য একটু অন্যরকম ছিল৷ বল দখলের পাশাপাশি আক্রমণে শুরু থেকে আধিপত্য দেখায় লিভারপুল৷ তবে গোলের প্রথম সুযোগটি পায় শেফিল্ড। পঞ্চম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে পাওয়া ডেভিড ম্যাকগোল্ডরিকের নেওয়া হেড ফেরান গোলরক্ষক আদ্রিয়ান। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে লড়াইটা ছিল যেন লিভারপুল ও শেফিল্ড গোলরক্ষক র‌্যামসডেলের মধ্যে। ১২ মিনিটে ডি-বক্সে ঢুকে রবের্তো ফিরমিনোর জোরাল শট এগিয়ে এসে পা দিয়ে আটকে দেন র‌্যামসডেল।

৩০ মিনিটে মহম্মদ সালাহর প্রচেষ্টাও রুখে দেন র‌্যামসডেল। এর ঠিক দু’ মিনিট পর আর্নল্ডের জোরাল শটে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠান তিনি। বিরতির আগে ডান দিকে ঝাঁপিয়ে আটকে দেন জর্জিনিয়ো ভেইনালডামের শট। প্রধমার্ধের আগে পাঁচ-পাঁটি নিশ্চিত গোল আটকে দেন র‌্যামসডেল৷ ফলে প্রথমার্থে গোলশূন্য অবস্থায় মাঠ ছাড়েন ইয়ুর্গেন ক্লপের ছেলেরা৷

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই অবশ্য গোলের দেখা পায় লিভারপুল৷ তৃতীয় মিনিটে জোন্সের গোল এগিয়ে যায় তারা৷ তবে এই গোলে বড় অবদান অ্যালেকজান্ডার-আর্নল্ডের। বাইলাইন থেকে তাঁর ক্রসে ফিরমিনোর ব্যাকহিলে বল প্রতিপক্ষের একজনের পায়ে লেগে পেয়ে যান জোন্স। জোরাল শটে তা জালে জড়ান ইংলিশ মিডফিল্ডার। তিন মিনিট পর সাদিও মানে বল গোলে পাঠালেও অফ-সাইডের কারণে তা বাতিল হয়৷ ৬৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয় লিভারপুলের৷ ডি-বক্সে ফিরমিনোর শট শেফিল্ডের ডিফেন্ডার কিন ব্রায়ানের পায়ে লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.