লন্ডন: অপ্রতিরোধ্য লিভারপুল। প্রিমিয়র লিগে ছুটেই চলেছে জুর্গেন ক্লপের অশ্বমেধের ঘোড়া। লিগের ২৪তম ম্যাচে রেডসদের শিকার ওয়েস্ট হ্যাম। জোড়া গোলে ম্যাচ জিতে কার্যত শিরোপা দখলের প্রহর গুনছে ইউরোপ সেরারা। এই জয়ে দ্বিতীয়স্থানে থাকা ম্যাঞ্চেস্টার সিটিকে পরিষ্কার ১৯ পয়েন্ট পিছনে ফেলল লিভারপুল।

পূর্ব লন্ডনের ক্লাবটিকে এদিন তাদেরই হোম গ্রাউন্ডে ধরাশায়ী করল ক্লপ অ্যান্ড কোম্পানি। লিভারপুলের হয়ে এদিন জোড়া গোল মোহামেদ সালাহ ও অক্সলেড চেম্বারলেনের। আধিপত্য নিয়ে ম্যাচে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করলেও ১৪ মিনিটে লিভারপুল রক্ষণকে নাড়িয়ে দিয়ে যান ম্যানুয়েল ল্যাজিনি। লিভারপুল গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারকে একা পেয়েও তাঁর জোরালো শট অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। আর্জেন্তাইন ফরোয়ার্ডের বিপক্ষে অফসাইডের ফ্ল্যাগ উঠলেও ওয়েস্ট হ্যামের আক্রমণ আরও সংগঠিত করে তোলে লিভারপুলকে।

গোলরক্ষক ফ্যাবিয়ানস্কিকে দুরন্ত চিপে পরাস্ত করে অ্যান্ড্রু রবার্টসন ওয়েস্ট হ্যামের ডেডলক ভাঙার কাছাকছি পৌঁছে গেলেও নিশানায় একশো শতাংশ সফল হতে পারেননি। এরপর গোল তুলে নিয়ে লিভারপুলের ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা সফল হয় ৩৫ মিনিটে। ডিভোক ওরিগিকে বক্সে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় লিভারপুল। স্পটকিক থেকে নিশানায় অব্যর্থ থেকে দলকে এগিয়ে দেন মিশরীয় স্ট্রাইকার মোহামেদ সালাহ। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই লকাররুমে যায় ক্লপের ছেলেরা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে দলকে সমতায় ফেরানোর আবারও একটি সুবর্ণ সুযোগ মিস করেন ল্যাজিনি। আর লিভারপুলের মতো ক্লাবের বিরুদ্ধে সুযোগ নষ্টের খেসারত তো দিতেই হবে। ৫২ মিনিটে বিপক্ষের একটি কর্নার থেকে প্রতি-আক্রমণে ব্যবধান দ্বিগুণ করে যায় লিভারপুল। ডানপ্রান্ত থেকে সালাহর বাঁ-পায়ের থ্রু বিপক্ষ ডিফেন্ডারকে স্ন্যাচ করে গোলে রাখেন চেম্বারলেন। ২-০ গোলে গোলে এগিয়ে যাওয়া লিভারপুল ম্যাচে ব্যবধান বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল এরপরেও। কিন্তু সালাহর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফলে ২ গোলে জিতেই মাঠ ছাড়ে রেডসরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.