লন্ডন: অ্যাওয়ে ম্যাচে জয়ের খরা কাটল প্রিমিয়র লিগ ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন লিভারপুলের। তাও আবার একটা-দু’টো নয়, অ্যাওয়ে ম্যাচে শনিবার ৭ গোলে ক্রিস্টাল প্যালেসকে হারিয়ে সমর্থকদের ক্রিসমাস গিফট দিল জুর্গেন ক্লপের ছেলেরা।

এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর চেলসিকে অ্যাওয়ে ম্যাচে শেষবার হারিয়েছিল লিভারপুল। এরপর গত তিন মাসে শেষ ৫টি অ্যাওয়ে ম্যাচের চারটিতে ড্র এবং একটি ম্যাচে হারতে হয়েছে রেডস’দের। কিন্তু সেলহার্স্ট পার্কে এদিন ১২৫ সেকেন্ডে গোল করে অ্যাওয়ে ম্যাচে জয়ের খরা কাটার ইঙ্গিতটা দিয়ে দিয়েছিলেন তাকুমি মিনামিনো। মানের পাস থেকে বিপক্ষ গোলরক্ষক গুইতিয়াকে পরাস্ত করে ১-০ করেন জাপানি স্ট্রাইকার। এরপর প্রথমার্ধে দাপুটে ফুটবল সেইসঙ্গে লিভারপুলের হয়ে গোলের খাতায় আরও দু’টি গোল যোগ করেন সাদিও মানে এবং রবার্তো ফিরমিনো।

দ্বিতীয়ার্ধে ক্রিস্টাল প্যালেসের ঘরের মাঠে সালাহ-শো। ৫৭ মিনিটে মানের পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামেন ইজিপ্ট স্ট্রাইকার। ১১ মিনিট বাদে ফিরমিনোকে দিয়ে তাঁর দ্বিতীয় গোলটি করান সালাহ। যদিও তার আগে ৫২ মিনিটে দূরপাল্লার শটে দলের হয়ে চতুর্থ গোলটি করে ফেলেছেন অধিনায়ক জর্ডান হেন্ডারসন। এরপর ৮১ এবং ৮৪ মিনিটে নিজেই গোলের খাতায় নাম তোলেন ইজিপ্ট স্ট্রাইকার। যার প্রথমটি কর্নার থেকে হেডে এবং দ্বিতীয়টি বক্সের বাইরে থেকে দর্শনীয় কার্লিং শটে। সেইসঙ্গে দলের সাত গোলের বৃত্তটাও সম্পূর্ণ করেন তিনি।

এই জয়ের ফলে দ্বিতীয়স্থানে থাকা টটেনহ্যামের সঙ্গে পরিষ্কার ৬ পয়েন্টের ব্যবধান তৈরি করে ক্রিসমাসের ছুটিতে যাচ্ছেন সালাহরা। ১৪ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৩১। যদিও রবিবার লেস্টারকে হারিয়ে ব্যবধান কমানোর সুযোগ থাকছে টটেনহ্যামের সামনে। উল্লেখ্য, গত ম্যাচে স্পারসকে হারিয়েই নিরাপদ ব্যবধানটা গড়ে নিয়েছিল লিভারপুল। মজার বিষয় হল এর আগে ১৯৮৯ অ্যাওয়ে ম্যাচে ক্রিস্টাল প্যালেসকে ৯-০ গোলে হারিয়েছিল লিভারপুল। এরপর থেকে শনিবারের আগে অবধি ইংল্যান্ডের টপ ফ্লাইট ফুটবলে অ্যাওয়ে ম্যাচে সাত বা তার বেশি গোলে জিততে পারেনি তারা।

সেদিক থেকে দেখতে গেলে ক্লপের ছেলেদের মুকুটে এদিন যুক্ত হল আরেকটা রেকর্ড। শনিবার লিগের অন্য ম্যাচে সাউদাম্পটনকে ১-০ গোলে হারিয়ে ষষ্ঠস্থানে উঠে এল ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। ম্যাচের ১৬ মিনিটে স্কাই ব্লুজ’দের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন রহিম স্টার্লিং।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.