কলকাতা: হুগলির সাহাগঞ্জে ডানলপে মঞ্চের ওপর হাজির মমতা। সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি কী বলেন, সেই দিকে নজর ছিল সকলের।

1. 48 : কয়লা খনি বিক্রি হচ্ছে কেন, নোট বন্দির টাকা কোথায় গেল নরেন্দ্র মোদী জবাব দাও: মমতা।

1.46: একজন ঘরের বউকে কয়লা চোর বলছেন? লজ্জা করে না? একটা ২২/২৩ বছরের ঘরের বউকে কয়লা চোর বলছে: মমতা।

1.44: আমি সব রেল প্রকল্প করে গেলাম, উনি ফিতে কাটলেন। দালালি করলেম। দালালি করা ছাড়া কাজ নেই। একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলছেন। প্রধানমন্ত্রী পদকে সম্মান করি। উনি আজ আছেন কাল থাকবেন না। দেশে এখন দুটো নেতা। একটা হোদোলকুতকুত অন্য একজন কিম্ভুত কিমাকার

1.43: প্রধানমন্ত্রী নিজেকে নেতাজির থেকেও বড় ভাবেন। ট্রান্সপারেন্ট গ্লাস দেখে এক লাইন বাংলা বলে বাংলার মন জয় করা যায় না

1.40: মমতার উপস্থিত জনতার প্রতি প্রশ্ন, কী মা, বোনেরা খেলা হবে? উত্তর আসে হ্যাঁ। দেখবো একদিকে তৃণমূল অন্যদিকে বিজেপি,সিপিএম,কংগ্রেস। দেখি কটা গোল দেয়। আমি গোল রক্ষক।

1.37: মমতা নিজেই বললেন ৩০ থেকে ৪০ মিনিট বলব। আপনারা বাড়ির কাজ ছেড়ে ভালোবাসার টানে, রাজ্যের টানে এখানে মা বোনেরা এসেছেন।

1.35: আমার পরিচিত টেলি, সংস্কৃতি, সাহিত্য, খেলা সব ক্ষেত্রের মানুষ এসেছেন। আমি তাঁদের সকলকে ধন্যবাদ জানাই।

1.32: মনোজ তিওয়ারি তৃণমূলে যোগ দিলেন। যে ভালোবাসা পেয়েছি তাতে হিন্দু-মুসলিম ছিল না। সবার ভালোবাসা পেয়েছি। যে ঘাস ফুলের লোগোটাট মানে একই বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু মুসলমান।

1.30: মঞ্চে মমতার দলে যোগ দিয়ে বলছেন অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। বাংলার শান্তি, উন্নয়ন বজায় রাখব।

1.28: কাঞ্চন মল্লিকের গলায় খেলা হবে। বললেন, খেলাটা হওয়া জরুরি। ঝড় উঠেছে বঙ্গে, আমরা দিদির সঙ্গে, বললেন কাঞ্চন মল্লিক।

1.26: বক্তব্য রাখছেন জুন মালিয়া। বললেন খেলা হবে তো? আমি দিদির সঙ্গে আছি। বাংলার মানুষ দিদিকে চায়। খেলা হবে। জোর খেলা হবে। দিদির হাত শক্ত করতেই হবে।

1.24: সভায় বক্তব্য রাখছেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। বলছেন আমি তৃণমূলে নাম লিখিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাই। সবাই আসুন।

1.20: মঞ্চে আছেন সায়নী ঘোষ, কাঞ্চন মল্লিক। রয়েছেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। এরা সবাই আজ তৃণমূলে যোগ দিলেন।

এবারের প্রেক্ষাপট – বিধানসভা ভোট শিয়রে। সরগরম রাজ্য রাজনীতি। একুশের ভোটে বাংলা দখলে মরিয়া গেরুয়া শিবির। নির্বাচনে সাফল্য পেতে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে পদ্ম শিবির। নিয়ম করে রাজ্যে আসছেন মোদী-শাহ-নাড্ডারা। আসন্ন নির্বাচনে সাফল্য পেতে কোন পথে মিলতে পারে সাফল্য তার রোডম্যাপ তৈরি করে দিচ্ছেন দলের শীর্ষ নেতারা। অন্যদিকে, নির্বাচনী ময়দানে পিছিয়ে নেই শাসক-তৃণমূলও। ‘উন্নয়ন’-কে হাতিয়ার করে একুশের লড়াইয়ে তৃণমূল। এরই পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে জোট করে ভোট ময়দানে রয়েছে বাম-কংগ্রেস। আব্বাসের দলকে সঙ্গে নিয়ে বিজেপি-তৃণমূলকে জোর টক্কর দিতে তৈরি ধর্মনিরপেক্ষ এই জোট।

দিন কয়েক আগেই গৃহুগলির সাহাগঞ্জের ডানলপ কারখানার মাঠে নির্বাচনী প্রচারে সেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একাধিক ইস্যুতে শাসকদল তৃণমূলকে তুলোধনা করেন মোদী। সেদিনই প্রথম রাজ্যে বাড়ি-বাড়ি পরিশুদ্ধ জল সরবরাহ নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হন নমো। তিনি বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় সরকার এরাজ্যে বাড়ি-বাড়ি বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহের কাজে ১৭০০ কোটি টাকারও বেশি দিয়েছিল। সেই টাকার মধ্যে মাত্র ৬০৯ কোটি টাকা খরচ করলেও বাকি টাকার হিসেব নেই।’’

পানীয় জল সরবরাহ নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুললেও স্থানীয় সবচেয়ে বড় ইস্যুটি সম্পর্কে সেদিনের সভায় একটি বাক্যও খরচ করেননি মোদী। ২০১৬ সালে রাজ্যে দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসার পর ডানলপের বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কারখানা চালু করতে কেন্দ্রের কাছে প্রয়োজনীয় আবেদন পাঠানো হলেও কোনও সাড়া মেলেনি বলেই অভিযোগ। যা নিয়ে পরবর্তী ক্ষেত্রেও সরব হয়েছে রাজ্য। নির্বাচনী প্রচারে এসে মোদী ডানলপ কারখানার শ্রমিকদের নিয়ে বা ফের কারখানা চালু নিয়ে কোনও কথাই বলেননি। যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভও রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.