কলকাতা: কলকাতার এক দল যখন ইনভেস্টর-কর্তা কাজিয়ায় চূড়ান্ত টার্মশিট সই নিয়ে জটিলতায়। ঠিক তখনই আগামী মরশুমের জন্য দল গুছিয়ে নেওয়ার পথে কলকাতারই অন্য আরেকটি দল। কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের সঙ্গে দিনকয়েক আগেই আরও একবছরের জন্য চুক্তি বাড়িয়ে নিয়েছিল এটিকে-মোহনবাগান। এবার হায়দরাবাদ এফসি থেকে প্রতিশ্রুতিমান স্ট্রাইকার লিস্টন কোলাসোকে তুলে নিয়ে বড়সড় চমক দিল সবুজ-মেরুন।

এখনও অবধি ক্লাবের তরফ থেকে বিষয়টিতে সরকারি কোনও সিলমোহর না পড়লেও সূত্রের খবর মোটা অংকের ট্রান্সফার-ফি দিয়ে নিজামদের ডেরা থেকে লিস্টনকে তুলে নিয়েছে এটিকে-মোহনবাগান। উল্লেখ্য, ২০২০-২১ ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ‘আবিষ্কার’ ছিলেন লিস্টন কোলাসো। ১৯ ম্যাচে দু’টি গোল করার পাশপাশি ৩টি অ্যাসিস্ট এসেছিল এই গোয়ানিজের পা থেকে। হায়দরাবাদের আপফ্রন্টে তাঁর ফুটবল স্কিলে মুগ্ধ হয়েছিল অনুরাগীরা। আর আইএসএল সেষ হওয়ার পরেই দুবাই’য়ে অনুষ্ঠিত হওয়া আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের জন্য ইগর স্টিম্যাচের জাতীয় দলেও জায়গা করে নিয়েছিলেন এফসি গোয়ার প্রাক্তনী।

একইসঙ্গে লিস্টনের দিকে নজর ছিল আইএসএলের অন্যান্য একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজির। কিন্তু সবাইকে টেক্কা দিয়ে লিস্টনকে জালে তুলে নিল এটিকে-মোহনবাগান। এর আগে চেন্নাইয়িন এফসি থেকে দীপক ট্যাংরিকেও আগামী মরশুমের জন্য দলে নিয়েছে সবুজ-মেরুন। এদিকে জয়েশ রানে সম্ভবত সবুজ-মেরুন ছেড়ে যোগ দিচ্ছেন বেঙ্গালুরু এফসি’তে। দল ছাড়ছেন কোমল থাতালও। কিন্তু লিস্টনকে বাগানের তুলে নেওয়ায় বিষয়টি আইএসএলের অন্যান্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছে যে ঈর্ষনীয় হতে চলেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

এমনিতেই আগামী মরশুম থেকে আইএসএলে কমছে বিদেশির সংখ্যা। প্রথম একাদশে চার বিদেশি (৩+১) রেখে দল সাজাতে হবে কোচেদের। স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাকটি দলের ফ্র্যাঞ্চাইজি স্কোয়াডে কমবে বিদেশির সংখ্যা। ফলত প্রত্যেকটি বিভাগে ভালোমানের দেশীয় ফুটবলারদের পিছনে ছুটবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। সেই লক্ষ্যে আপফ্রন্টে মনবীর সিং’য়ের পাশে লিস্টনের অন্তর্ভুক্তি আরও ঝাঁঝালো করবে সবুজ-মেরুনকে।

এদিকে আগামী মে মাসে এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি শিবির কোথায় হবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় সবুজ-মেরুন। মালদ্বীপে যেহেতু ম্যাচ খেলতে হবে তাই সেখানে গিয়ে সপ্তাহদু’য়েকের প্রস্তুতি শিবির করতে চেয়েছিলেন হাবাস। কিন্তু কোভিডের জাঁতাকলে সেদেশের সরকারের তরফ থেকে এবিষয়ে কোনও সবুজ সংকেত এখনও মেলেনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।