মুম্বই: ক্যানসারের সঙ্গে রীতিমতো পাঞ্জা লড়তে হয়েছে লিসা রে-কে। সম্প্রতি করিনা কাপুরের রেডিও শোয়ে সেই কথাই খোলাখুলি আলোচনা করেছেন তিনি। জেসন ডেহনির সঙ্গে বিয়ের ঠিক এক মাস পরেই আবার ক্যানসার রিল্যাপস করেছিল। এমনই জানান লিসা।

লিসা বলছেন, আমার একবার রিল্যাপস করেছিল। কিন্তু এটা এমন একটা জিনিস যা নিয়ে আমি বেশি কথা বলিনি। আমার বিয়ের একমাস পরেই ঘটেছিল। ওটা সত্যিই কঠিন সময় ছিল। আমার স্বামীর থেকেও আসলে সত্যিটা লুকোচ্ছিলাম। আমি ভাবছিলাম এই বিয়ে মিটুক, তার পরে যা করার করব। সেটা কঠিন ছিল। কারণ প্রথমবার যখন ক্যানসার হয় আমি সিঙ্গল ছিলাম।

দ্বিতীয় বার যখন ক্যানসার ফিরে এল, তখন তিনি খুবই ভয়ে পেয়েছিলেন বলেও জানান লিসা। তিনি বলছেন, বিয়ের পরে এত সুন্দর একটা মানুষ, যিনি আমার স্বামী তাঁকে আমি প্রথমেই বলি, আমায় আবার চিকিৎসা করাতে হবে। কিন্তু আমি বুঝতে পেরেছিলাম এবং সেরে ওঠার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে পুষ্টি জাতীয় খাবার খেতে থাকি। ডায়েটে বদল আনার পরে বুঝি আমি আস্তে আস্তে সুস্থ হচ্ছি।

লিসা জানাচ্ছেন, একসময়ে তিনি দেখেন যোগব্যায়াম করার পরে তিনি আর উঠতে পারছেন না। তখনই বুঝেছিলেন কোনও গোলমাল রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে রক্ত পরীক্ষা করান তিনি। লিসা বলছেন, চিকিৎসক আমার রিপোর্ট দেখে বলেছিলেন তুমি দাঁড়িয়ে কী ভাবে আছো। কারণ তোমার রক্তে লোহিত কণিকা এত কম যে, যে কোনও সময়ে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতে পারে।

প্রসঙ্গত, বলিউডে কসুর ছবিতে প্রথম অভিনয় করেছিলেন লিসা। বিক্রম ভাটের এই ছবিতেই নজর কেড়েছিলেন তিনি। ২০০৯ সালে ক্যানসার ধরা পড়ে তাঁর। সেই বছরই টরোন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এই খবর তিনি প্রকাশ্যে আনেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।