মালদহ: ফাঁকা চারিদিক। সেই সুযোগে শাটার ভেঙে মদের দোকানে লক্ষাধিক টাকার দেশি বিদেশি মদ চুরি হলো। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার গাজোল থানার মাজরা এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় গাজোল থানার পুলিশ।

শনিবার রাতে লকডাউন শুরুর আগে অন্ধকারে শাটার ভেঙে চুরি করা হয়েছে লক্ষাধিক টাকার মদ। এমনই মনে করা হচ্ছে। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, গাজোল ব্লকের মাঝড়ার অঞ্চলের হাটের কাছে পানশালা রয়েছে। ওই দোকানের মালিক আশিক প্রসাদ। রবিবার সকালে লকডাউন চলাকালীন ফতেরাজপুর এলাকার বাসিন্দা তারাপদ রায় বাজার যাওয়ার পথে দেখতে পান মদের দোকানটির শাটার ভাঙা। দোকান মালিক আশিক প্রসাদকে ফোনে চুরির ঘটনা জানান। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি দেখেন মদের দোকানে ভাঙচুর শাটার সিসিটিভি গুলো ভাঙা রয়েছে।

গাজোল ব্যবসা সমিতির সভাপতি বিধান রায়কে সমস্ত ঘটনা জানান দোকানের মালিক আশিক প্রসাদ। গাজোল থানায় খবর দিলে পরে গাজোল থানার পুলিশ মদের দোকানে চুরির ঘটনাকে খতিয়ে দেখতে আসে।

মদের দোকান মালিকের বাড়ি গাজোলে শহরে। প্রতিদিনের মত শনিবার রাতে সাতটা নাগাদ দোকান বন্ধ করে বাড়িতে আসেন। তিনি জানান,তার মদের দোকানে কুড়ি থেকে পঁচিশ লক্ষ টাকার মদ ছিল। মদের দোকানের সংলগ্ন নির্মল বর্মনের মুদির দোকানে গত বুধবার চুরি হয়েছে। পরপর এই চুরির ঘটনা এলাকাবাসী ভীত। লকডাউন শুরু হতেই চুরি হওয়া পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা।

গাজোল ব্যবসা সমিতির সভাপতি বিধান রায় জানান,বার বার চুরির ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। অবিলম্বে চোরকে গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। একদিকে লক ডাউন অন্যদিকে লক্ষ লক্ষ টাকার জিনিস চুরি হয়ে যাচ্ছে অথচ প্রশাসনের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। ব্যবস্থা না নিলে আমরা অন্দোলন করতে বাধ্য হব। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এদিকে রবিবার সকাল থেকেই মালদহ শহরের রথবাড়ি বাজার, সদরঘাট বাজার,ঝলঝলিয়া বাজারে উপচে পড়া ভিড়। রসিক বাঙালি যেন বাজার ছাড়তে চাইছে না। নির্দিষ্ট সময়ের পরেও অনেকে দোকান খোলা রেখেছিল। বাজার বন্ধ করতে আসরে নামে ইংলিশবাজার থানার পুলিশ। বিভিন্ন জায়গায় পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে দেখা যায়। ‌

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.