সুন্দরী রমণীর সবচেয়ে আকর্ষণীয় অঙ্গ ঠোঁট৷ আর ঠোঁটকে সুন্দর করতে অবশ্যই চাই লিপস্টিক৷ কিন্তু ঠোঁটের রঙ যদি ঠিক না হয় তবে আপনার গোটা সাজটাই মাটি৷ তাই নির্দিষ্ট সময়ে চাই সঠিক লিপশেড৷ কিন্তু কিভাবে বাছবেন সেটাই ভেবে পাচ্ছেন না তো? তাই আপনাদের জন্য রইল তেমনই কিছু টিপস্৷

  • বিভিন্ন শেডের লিপস্টিক একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন৷ আপনি ভালো বুঝবেন কোনটাতে আপনাকে ভাল মানাচ্ছে৷
  • এমন রঙ বাছুন যা আপনার ঠোঁটের রঙ ও ত্বকের টোনের সঙ্গে মানানসই হয়৷ যে মহিলাদের ঠোঁটের আকার বড় তারা ব্রাউন, পারপল বা ব্রোঞ্জ শেডের লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন৷ যাদের ঠোঁট পাতলা তারা গোলাপী, পিচ ও অ্যাপ্রিকট শেড ব্যবহার করতে পারেন৷
  • দিনের বেলার হালকা রঙ এবং রাতের বেলায় গাঢ় রঙ বেশি ভাল মানায়৷
  • যদি আপনি গাঢ় লিপশেড ব্যবহার করেন তবে মুখের মেকআপ বেশি চড়া করবেন না৷ আর যদি ঠোঁটে হালকা শেড ব্যবহার করেন তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যাতে চোখের মেকআপ চড়া হয়৷
  • লিপস্টিকের এমন রঙ বাছুন যা বিনা মেকআপেও আপনাকে মানাবে৷
  • আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তবে আপনি লাল অবথা বাদামী শেড ব্যবহার করতে পারেন৷
  • গায়ের রঙ কালো হলে পাম বা ওয়াইন শেড ব্যবহার করুন এবং ফর্সা ত্বক হলে ক্যারামেল বা গাঢ় গোলাপী ব্যবহার করুন৷
  • যদি রাতে কোন পার্টি যাওয়ার থাকে তবে অবশ্যই একটু গাঢ় শেডের লিপস্টিক ব্যবহার করুন৷
  • লিপস্টিক শেডের সীমা বরাবর ওই একই রঙের লিপ লাইনার ব্যবহার করুন৷
  • আর যদি একই রঙ মেখে আপনি ক্লান্ত হয়ে থাকেন তবে অনেকগুলি শেড একসঙ্গে মিশিয়ে নতুন একটা রঙ তৈরি করাই যায়৷
  • লিপস্টিককে যদি আরও আকর্ষণীয় করতে চান তবে সামান্য সোনালী রঙের আই শ্যাডো ঠোঁটের মাঝখানে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে পারেন৷

তবে লিপস্টিক বাছার সময় কখনই তা সরাসরি ঠোঁটে ব্যবহার করবেন না, এটি অস্বাস্থ্যকর হতে পারে৷ হাতের কব্জি বা আঙুলে রঙ পরীক্ষা করুন৷ আর অবশ্যই লিপস্টিক বা টিউব দেখে বিচার করবেন না, এটি আপনার মুখে নাও মানাতে পারে৷