ঠোঁট, মানুষের প্রধানত মহিলাদের সবথেকে আকর্ষনীয় এক অঙ্গ। আর এই ঠোঁটকে সুন্দর করে তোলার জন্য ভেসলিন থেকে লিপস্টিক কত কি ব্যবহার করা।

তবে, অনুষ্ঠান বাড়ি বা কোন বিশেষ দিনে লিপস্টিক লাগানোটা আবশ্যিক। কিন্তু শুধু লিপস্টিক ব্যবহার করলেই ঠোঁট সুন্দর দেখতে হবেনা, এর পাশাপাশি কোন লিপস্টিক, কিভেবে ব্যবহার করা উচিত এইগুলো জানাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

দোকান থেকে অনেকসময় এমন লিপস্টিক কিনে আনা হয় যাতে ঠোঁট সুন্দর দেখানোর বদলে দেখতে খারাপ হয়ে যায়। তাই নিজের সুন্দর ঠোঁটকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য জেনে নিন কয়েকটি টিপস।

১) যদি অসতর্কভাবে ঠোঁটে খুব ডার্ক রঙের লিপস্টিক লাগিয়ে ফেলেন, তবে একটি মোটা টিস্যু পেপার ঠোঁটের মাঝে রেখে ঠোঁটদুটি দিয়ে একটু চেপে ধরুন।

একটুবাদে দেখবেন অতিরিক্ত রঙ ঠোঁট থেকে উঠে গেছে। তারপর আপনি ঠোঁটে হালকা লিপগ্লস বা ভেসলিন লাগিয়ে নিন, নয়তো ঠোঁটের চামড়ায় দাগ পড়ে যাবে।

২) ঠোঁটে লিপস্টিকের ঘন রঙ মোছার জন্য আপনি হালকা গোলাপী বা পিচ রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। ঘন লিপস্টিক হালকা করে মুছে নেওয়ার পর এই কাজটি করবেন।

৩) লিপগ্লসের উপর হালকা করে লিপলাইনার লাগাতে পারেন। লিপগ্লস সহজেই উঠে যায়, তাই উপরে লিপলাইনার লাগালে ঠোঁটের রঙ বেশি সময় পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে।

৪) লিপস্টিকের রঙ গাঢ় হয়ে গেলে কখনোই রুমাল দিয়ে ঘষে মুছবেন না। রুমাল দিয়ে মুছলে আপনার ঠোঁটের বেশ কিছু সূক্ষ চামড়া ছিঁড়ে যেতে পারে। লিপস্টিকের রঙ খুব হালকা করতে চাইলে, লিপস্টিকের সাথে সামান্য ভেসলিন নিয়ে হালকাভাবে মিশিয়ে দিতে পারেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।