নিয়ন: লিভারপুলের কাছে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়েই আরও একটি ব্যর্থ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মরশুম শেষ করেছে বার্সেলোনা। তবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে রেকর্ড পয়েন্টের ব্যবধানে পিছনে ফেলে টানা দ্বিতীয়বার লা-লিগা খেতাব ঘরে তুলেছে কাতালান ক্লাবটি। একইসঙ্গে ক্লাবের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে ১০টি লা-লিগা খেতাব জয়ের নজির গড়েছেন মধ্যমনি লিওনেল মেসি।

এমনকি দলের এই খেতাব জয়ের পিছনে বরাবরের মত সবচেয়ে বেশি অবদানও রেখেছেন তিনি। সদ্য সমাপ্ত মরশুমে বার্সেলোনার জার্সি গায়ে লা-লিগায় ৩৪ ম্যাচে ৩৬ গোল করেছেন এই আর্জেন্তাইন। ফের একবার প্রমাণ করেছেন কেন তিনি সর্বকালের অন্যতম সেরা। শনিবার কোপা দেল রে ফাইনালে ভ্যালেন্সিয়াকে হারাতে পারলে মরশুমের দ্বিতীয় ঘরোয়া ট্রফি ঢুকবে বার্সার ক্যাবিনেটে। ঠিক তার আগে মরশুমে দুরন্ত পারফরম্যান্সের ফল পেলেন লিও মেসি।

আরও পড়ুন: বিরাট মানুষ নয়, মেসিন: লারা

কেরিয়ারে রেকর্ড ষষ্ঠবার এবং টানা তৃতীয়বারের জন্য ইউরোপিয়ান গোল্ডেন সু পুরস্কার জিতে নিলেন তিনি। লা-লিগার সর্বোচ্চ গোলস্কোরার হিসেবে পিচিচি ট্রফি জিতে নেওয়ার পর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্যারিস সা জাঁ’র কিলিয়ান এমবাপেকে পিছনে ফেলে গোল্ডেন সু জিতে নিলেন বার্সার মহাতারকা। এই পুরস্কার জয়ের নিরীখে এলএম টেনের চেয়ে দু’ধাপ পিছিয়ে রয়েছেন চির প্রতিদ্বন্দ্বী সিআর সেভেন। উল্লেখ্য পিএসজি’র লিগা ওয়ান জয়ে চলতি বছর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন ফরাসি স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপেও।

আরও পড়ুন: বিরাট সাক্ষাতে উচ্ছ্বসিত হ্যারি

কিন্তু গোলের নিরীখে মেসির চেয়ে সামান্য পিছিয়ে তিনি। ৩৩ গোল করে সম্প্রতি লিগা ওয়ানের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার হয়েছেন তিনি। অন্যদিকে ৩৬ গোল করে লা-লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি পিছনে ফেলেছেন সতীর্থ সুয়ারেজ ও রিয়াল স্ট্রাইকার করিম বেঞ্জেমাকে। দ্বিতীয়স্থানে থাকা এই দুই স্ট্রাইকারের গোলসংখ্যা ২৬। সবমিলিয়ে আরও একটি দুরন্ত লা-লিগা মরশুম সেইসঙ্গে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন সু জয় ফের একবার যে ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে ফেভারিট করে তুলবে মেসিকে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।