মাদ্রিদ: নির্বাসন কাটিয়ে মাঠে ফিরেই রেকর্ড গড়লেন লিওনেল মেসি৷ গোলও করে দলকে জেতালেন ফুটবলের রাজপুত্র৷ বুধবার রাতে কোপা দেল রে টুর্নামেন্টে রায়ো ভালকেনোকে ২-১ হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল বার্সেলোনা৷

বুধবার কোপা দেল রে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে রেকর্ড গড়েন মেসি৷ বার্সেলোনার জার্সিতে সবচেয়ে বেশিবার এই টুর্নামেন্টে মাঠে নামবেন আর্জেন্তাইন স্ট্রাইকার৷ এ নিয়ে কোপা দেল রে টুর্নামেন্টে ৭৬টি ম্যাচে বার্সার প্রধিনিধিত্ব করেন মেসি৷ তাঁর আগে এই রেকর্ড ছিল জোসেফ সামিতিয়ার৷ যিনি বার্সেলোনার হয়ে কোপা দেল রে টুর্নামেন্টে ৭৫টি ম্যাচ খেলেছিলেন৷ কিন্তু বুধবার জোসেফকে ছাপিয়ে ইতিহাস গড়েন মেসি৷

দু’ ম্যাচের নির্বাসন কাটিয়ে বুধবার মাঠে ফিরেই গোল করেন মেসি৷ সেই সঙ্গে কোপা দেল রে টুর্নামেন্টে ৭৬টি ম্যাচে তাঁর গোলের সংখ্যা হয় ৫৩টি৷ তবে গোলের বিচারে সামিতিয়ার থেকে পিছিয়ে রয়েছেন মেসি৷ কারণ ৭৫টি ম্যাচে ৬৪টি গোল করেন সামিতিয়ার৷ অর্থাৎ গোলের বিচারে দু’ নম্বরে রয়েছেন মেসি৷

তবে সব টুর্নামেন্ট মিলিয়ে বার্সেলোনার হয়ে ১৭টি মরশুমে ৭৫৪টি ম্যাচ খেলেলেন মেসি৷ এর মধ্যে ৯৩৩টি গোলে অবদান রয়েছে আর্জেন্তাইন অধিনায়কের৷ যার মধ্যে ৬৪৯টি গোল করেছেন এবং ২৮৪টি গোল করতে সাহায্য করেছেন৷ ছ’বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী মেসি বার্সেলোনার হয়ে ৩৩টি বড় ট্রফি জিতেছেন৷ এর মধ্যে ১০টি লা লিগ এবং চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ রয়েছে৷

এদিন মাঠে নেমে গোল করে বার্সাকে জেতান আর্জেন্তাইন তারকা৷ প্রথমার্ধ গোল শূন্য থাকার পর ম্যাচের ৬৩টি মিনিয়ে গোল হজম করে পিছিয়ে পরে বার্সেলোনা৷ কিন্তু মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে ব্যবধান কমান মেসি৷ পরে সতীর্থ ডি ইয়ংয়ের গোলেও অবাদান রাখেন তিনি৷

ফ্রান গার্সিয়ার গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ভালকেনো৷ কিন্তু পরের মুহূর্তে রেকর্ড চ্যাম্পিয়নরা মেসির গোলে সমতায় ফেরে৷ মাঝমাঠ থেকে সতীর্থের থ্রু পাস অফ-সাইডের ফাঁদ ভেঙে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন গ্রিজমান। তাঁকে বাধা দিতে এগিয়ে যান গোলরক্ষক৷ সুযোগ বুঝে ডান দিকে বল বাড়ান ফরাসি ফরোয়ার্ড। অনায়াসে ফাঁকা জালে বল ঠেলে দেন মেসি।

তারপর ৮০ মিনিটে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। মেসির ডি-বক্সে উঁচু করে বাড়ানো বল ধরে ছ’ গজ বক্সের মুখে বাড়ান জর্দি আলবা। সময়মতো সেখানে ছুটে যাওয়া ডি ইয়ং অনায়াসে ডান পায়ের টোকায় গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।