নয়াদিল্লি: আগামী পয়লা ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সাধারণ বাজেট পেশ করবেন। এটা তার তৃতীয় বাজেট তবে করোনা সংকটের পরে এই প্রথম তিনি বাজেট পেশ করতে চলেছেন। সে ক্ষেত্রে এটা তার কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ ।

বাজেটের ক্ষেত্রে এই বছরটা আবার অন্য এক দিক দিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ কারণ আর কয়েকদিন পরেই রয়েছে চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোট। এগুলির মধ্যে কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকা বিজেপির দখলে রয়েছে অসম। অন্যদিকে রীতিমতো সিরিয়াস এই রাজনৈতিক দলটি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ব্যাপারে। সাধারণত দেখা যায় কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দল বাজেটে সেইসব ঘোষণা করেন যা তাদের লক্ষ্যের ভোটারদের খুশি করা যায়। সে দিক দিয়ে বিচার করলে এদেশে বাজেট শুধুমাত্র অর্থনীতির জন্য নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে আর্থ-সামাজিক অবস্থা।

রাজনৈতিক বাণিজ্য চক্র তত্ত্ব অনুসারে, রাজনৈতিক দল বাজেটে তাদের নীতিকে এমন ভাবে প্রভাবিত করে যাতে তাদের নির্বাচনে জিততে সুবিধা হয়। সেক্ষেত্রে নির্বাচনের বছরে বাজেট ঘাটতি কিছুটা বাড়তে দেখা যায়।
প্রসঙ্গত ২০০৮-০৯ বাজেটে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার ঘোষণা করেছিল কৃষকদের ঋণ মুকুব যার অংকটা ছিল প্রায় ৬০,০০০ কোটি টাকা। যেখানে তখন দেশের মানুষের প্রায় ৬০ শতাংশ কৃষক। এরফলে দেখা গিয়েছিল ২০০৯ সালে এই জোটকে ফের জিততে। আবার ২০১৩-১৪ সালের বাজেটে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম ভোট মাথায় রেখে বেশকিছু ঘোষণা করেছিলেন , যেমন ১০০০ কোটি টাকা নির্ভয়া ফান্ড গড়া হয় মহিলাদের সুরক্ষার জন্য। তবে সেটা ভোট বৈতরণী পার হতে কাজে লাগেনি।

আবার কখনো কখনো আসন্ন ভোটকে মাথায় রেখে বাজেটে ঘোষণা হতে দেখা যায়। যেমন ২০১৪ সালের জুলাই মাসে অরুণ জেটলি ঘোষণা করেন‌ মহারাষ্ট্রের বিদর্ভে এমস, জম্মুতে আইআইটি, হরিয়ানা হটিকালচার ইউনিভার্সিটি , ঝাড়খন্ডে ইন্ডিয়ান এগ্রিকালচার রিসার্চ ইনস্টিউট করার কথা। আবার ২০১৭ সালের বাজেটে গুজরাটে এমস গড়ার কথা বলা হয়েছিল।

এটা ঘটনা অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ যদি এভাবে রাজনৈতিক ও ভোটব্যাঙ্কের উপর নির্ভর করে তৈরি হয় সেটা কাম্য নয়। যদিও আবার ভোটারদের খুশি করতে বাজেটে বেশকিছু ঘোষণা হলেও তাতে যে শেষমেষ জয় আসবে এমন কোন গ্যারান্টি নেই। কারণ ইউপিএ-২ সরকার বেশকিছু ঘোষণা করলেও শেষমেষ পরাজিত হয়েছিল। তবে এটাও ঠিক ক্ষমতাসীন সরকারে থাকা রাজনৈতিক দল এক্ষেত্রে একটু সুবিধা পায় তারা তাদের ভোট জয়ের কথা মাথায় রেখে কাকে কতটা কি বরাদ্দ করা হবে তা বাজেটে ঠিক করতে পারে। তবে এর বাইরেও বহু কারণ থাকে নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।