পটনা: ফের ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে প্রাণ হারালেন ১৬ জন। বিহারের একাধিক জেলায় বাজ পড়ে রবিবার মৃত্যু হল কমপক্ষে ১৬ জনের। সোমবার একথা জানিয়েছে ওই রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর।

অবস্থা এমনই দাঁড়িয়েছে যে বজ্রপাতের হাত থেকে বাঁচতে, আবহাওয়া দফতরের তরফে রাজ্যে অ্যালার্ট জারি করে, বৃষ্টির সময় বাইরে বেরনো সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে।

জানা গেছে বিহারের পূর্ণিয়াতে বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের, গয়াতে ৪ জন, বেগুন্সরাইতে মারা গিয়েছে ২ জন, এছাড়া পটনা, সহরসা, পূর্ব চম্পারণ, দ্বারভাঙা, নাওদা, বাঙ্কা জেলাতেও একজন করে মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর।

সোমবার সকালে জানা গিয়েছিল বজ্রপাতে মৃতের সংখ্যা ১০। সন্ধ্যে গড়াতেই সংখ্যাটা আরও ৬ বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ তে। রবিবারই মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার বজ্রপাতে মৃতদের প্রতি শোকপ্রকাশ করেছেন। একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, বজ্রপাতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলির পাশে রয়েছেন তিনি। পরিবার কিছু ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে।

একইসঙ্গে এই খারাপ আবহাওয়ার সময় রাজ্যবাসীকে সজাগ থাকতে এবং যতদূর সম্ভব বাড়ির ভেতরে থাকতে অনুরোধ জানিয়েছেন নীতিশ কুমার। পাশাপাশি এমুহূর্তে বিপর্যয় মোকাবিলা দলের পরামর্শ মেনে চলতেও বলা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

তথ্য বলছে, বিহারে শেষ তিন সপ্তাহে বাজ পড়ে কমপক্ষে ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে । এর মধ্যে ২৫ জুন সব থেকে বেশি মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল। ওইদিন মোট মৃত্যু হয় মোট ৮৩ জনের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.