চেন্নাই: অস্ট্রেলিয়া সফরে টিম ইন্ডিয়ার জার্সিতে অভিষেকে দারুণ পারফর্ম করে নজর কেড়েছেন টি নটরাজন৷ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজেও ভারতীয় দলে রয়েছেন তিনি৷ কিন্তু তার আগে জীবনের সেরা উপহারকে সবার সামনে তুলে ধরলেন টিম ইন্ডিয়ার বাঁ-হাতি পেসার৷

চলতি বছরের শুরুতে ব্রিসবেনে টেস্ট অভিষেক হয়েছে থাঙ্গারাসু নটরাজনের৷ অভিষেকে নজির গড়েন ভারতীয় এই বাঁ-হাতি পেসার৷ একই সিরিজে তিন ফর্ম্যাটে অভিষেক হওয়া একমাত্র ভারতীয় ক্রিকেটার হলেন তিনি৷ ভারতের ৩০০তম টেস্ট ক্যাপ হাতে পান নটরাজন৷ জয়দেব উনাদকটের পর নটরাজনের হাত ধরে ভারতের কোনও বাঁ-হাতি পেসারের টেস্ট অভিষেক হয়৷ সেই সঙ্গে একই সিরিজে তিন ফর্ম্যাটে প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক হল ২৯ বছরের তামিলনাড়ুর এই ক্রিকেটারের৷

অস্ট্রেলিয়ায় সাফল্য কুড়িয়ে হোমটাউন চিন্নাপ্পামপাত্তিতে ফিরে বীরের সম্মান পেয়েছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের এই বাঁ-হাতি পেসার। আর এবার খানিকটা মহেন্দ্র সিং ধোনির পথে হেঁটেই পালানির মন্দিরে গিয়ে মাথার চুল দান করে আসেন ভারতীয় এই ক্রিকেটার। ধন্ডায়াউত্তাপানি স্বামী মন্দিরে গিয়ে চুল দান করে মন্দির প্রাঙ্গনে দাঁড়িয়েই নিজের মুন্ডিতমস্তকে ছবি টুইটারে পোস্ট করেছিলেন নটরাজন।

সোমবার বাড়ির সামনে চার মাসের কন্যা ও স্ত্রী’র সঙ্গে নিজের ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন ভারতীয় দলের এই পেসার৷ যার ক্যাপশনে নটরাজন লেখেন, “Our little angel Hanvika,” ছবিতে হার্টের ইমোজি দেন তিনি৷ একই সঙ্গে তিনি আরও লেখেন, “You are our life’s most beautiful gift.You are the reason why our life is so much happier.Thank you laddu for choosing us as ur parents.we love u always and forever.”

আইপিএলের সাফল্যের ফলে প্রাথমিকভাবে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিলেন নেট বোলার হিসেবে। অজিভূমে পৌঁছে এক লহমায় বদলে গিয়েছিল তাঁর ভাগ্যের চাকা। শেষ অবধি অজিভূমে ভারতের টানা দ্বিতীয়বার টেস্ট সিরিজ জয়ের অন্যতম কান্ডারি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন নটরাজন। তবে কেবল টেস্ট সিরিজই নয়, অজিভূমে তিনটি ফর্ম্যাটেই সাফল্যের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিষেক ঘটেছে এই দক্ষিণী পেসারের। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি টেস্ট সিরিজের দল না-থাকায় পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন৷ তবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১২ মার্চ থেকে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজে ফের জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপাবেন নটরাজন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।