নয়াদিল্লি: ভারতের আয়ের বৈষম্য দীর্ঘদিনের আলোচনার বিষয়। সেখানে এই ২০২১ অর্থবর্ষে এই বৈষম্য আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শহরাঞ্চলে থাকা‌ ভারতীয়দের মধ্যে ৬১ শতাংশ মনে করছেন আয়ের বৈষম্য বাড়বে। পাশাপাশি নারী-পুরুষের আয়ের ফারাক বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। একটি সমীক্ষা তেমনটাই জানাচ্ছে। অন্যদিকে ৭৬ শতাংশ ভারতীয় ধারণা করেছেন, চলতি বছরে বিশ্বের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। আর ৮৪ শতাংশ আশাবাদী তাদের পক্ষে ভালোই হবে বলেই গ্লোবাল মার্কেট রিসার্চ সংস্থা Ipsos জানাচ্ছে।

এই সংস্থার ভারতীয় শাখার সিইও অমিত আদারকার জানিয়েছেন,২০২০ বছরটি কঠিন ছিল সকলের জন্য, অতি মহামারী প্রভাব ফেলেছে কর্মসংস্থান, অর্থনীতি এবং স্বাস্থ্যে। শহরাঞ্চলে বসবাসকারী ভারতীয়রা রীতিমতো সহনশীলতা দেখিয়েছে এই অতিমারীর সঙ্গে লড়াইয়ে।

এখন এবার ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে বোঝায় ২০২১ সাল সর্ম্পকে অনেকেই আশাবাদী। এই অবস্থা পেরিয়ে সুদিনের আশা করছে তারা বলে জানিয়েছেন অমিত আদারকার। তিন-চতুর্থাংশ ভারতীয় আশা করছেন, এই বছরেই ভাল ভাবেই পাওয়া যাবে সফল করোনা ভ্যাকসিন। যদিও ৪৩ শতাংশ ভয় পাচ্ছেন, যেভাবে নতুন ভাইরাসের লুকোচুরি খেলা চলছে তাতে নতুন করে যেন অতিমারি ডেকে না আনে।

এই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ৬৩ শতাংশ ভারতীয় আশা করছে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা যাবে। ৫০ শতাংশ ভারতীয় আশা করছে করোনা সংকট কাটিয়ে বিশ্বের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। ৬২ শতাংশ ভারতীয় আশা করছে, পৃথিবীটা বদলাচ্ছে অতিমারি অবস্থা থেকে ভালো অবস্থায় যাবার জন্য। প্রতি ১০ জন ভারতীয়ের মধ্যে ৬ জন ভারতীয় বিশ্বাস করেন, তারা স্টোরে গিয়ে কেনার বদলে আরও বেশি করে খরচ করবেন অনলাইন কেনাকাটায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।