ভগবত গীতা একটি ৭০০শব্দের হিন্দু ধর্মগ্রন্থ৷ প্রাচীন সংস্কৃত মহাকাব্যের একটি অংশ এটি৷ এই ধর্মগ্রন্থের বিষয়বস্তু কৃষ্ণ ও পাণ্ডব রাজকুমার অর্জুনের কথোপকথন৷ গীতাকে গীতোপনিষদও বলা হয়৷ বেদব্যাস যেহেতু মহাভারত রচনা করেছিলেন, তাই মনে করা হয মহাভারতের অংশ রূপে গীতাও তাঁর দ্বারাই রচিত৷ ঐতিহাসিকেরা এই গ্রন্থের রচনাকাল হিসেবে খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম থেকে দ্বিতীয় শতাব্দী পর্যন্ত যে কোন সময়ের মধ্যে হতে পারে বলে অনুমান করেছেন৷

এই গীতাতেই রয়েছে এমন কিছু শ্লোক যা আপনার জীবন বদলে দিতে পারে৷ এমনকি কেউ যদি তাঁর লক্ষ্য থেকে ভ্রষ্ট হয়ে পরেন৷ তাহলে সেই ব্যক্তিকে লক্ষ্যে স্থির রাখতে ভগবত গীতার শ্লোক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ৷ গীতাতে বলা রয়েছে, যে জিনিসটা আমরা মন থেকে চাই৷ সেই জিনিসটা পাওয়ার প্রতি আমাদের লোভ বেড়ে যায়৷ যদি কোনও কারণে সেই চাহিদা পূরণ না হয়৷ তাহলে আমরা ক্রমশ ভেঙে পরি৷ আমাদের মনোবল সম্পূর্ণ ভেঙে যায়৷

গীতার যেসমস্ত শ্লোকগুলি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ৷ সেগুলির মধ্যে রয়েছে-

১) জীবনটা যুদ্ধক্ষেত্র, দৃঢ়ভাবে সেই যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধ করতে হবে৷

২) শরীরের মৃত্যু হতে পারে৷ কিন্তু আত্মার কখনও মৃত্যু হয়না৷

৩) জন্মালে একদিন না একদিন মরতে হবেই৷

৪) জীবনে জয় পরাজয় উভয়েই রয়েছে৷ সকলকে সবটা মেনে নিতেই হবে৷ কখনও ভেঙে পরলে হবেনা৷