কলকাতা: বাজেটে জীবনবিমা নিগম এলআইসি-র অংশীদারিত্ব বিক্রির কথা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। বাজেটে এহেন ঘোষণা পর থেকেই তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এজেন্ট এবং আমানতকারীদের মধ্যে। এমনকি জীবনবিমা সংস্থার কর্মীদের মধ্যেও একটা চাপা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। আর সেই আতঙ্ক থেকেই বিক্ষোভ-আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে শ্রমিক ইউনিয়নগুলি। ইতিমধ্যে বেশ কিছু জায়গায় এলআইসি কর্মীরা বিক্ষোভ শুরু করেছেন। ৬৩ বছর ধরে চলা এই জীবনবিমা নিগমের ভিত নড়ে যাওয়ায় অসন্তুষ্ট এলআইসি-কর্মচারী মহল।

একদিকে যখন বিক্ষোভে সামিল হচ্ছেন এলআইসি’র কর্মচারীরা, অন্যদিকে তখন কলকাতায় এলআইসি অফিসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন যুব কংগ্রেসের সদস্যরা। আজ সোমবার সকাল থেকে কলকাতায় জীবনবিমা সংস্থার দফতরের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা। এই মুহূর্তে এই জীবনবিমা নিগমের গ্রাহক সংখ্যা ৩২ কোটি। বিক্ষোভকারীরে জানাচ্ছেন, এত বছর ধরে গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জন করে চলা জীবনবিমা নিগমেরও বিলগ্নিকরনের তীব্র বিরোধিতা করছেন তাঁরা।

সরকারের এই সিদ্ধান্তে গ্রাহকরাও সন্দেহ প্রকাশ করছেন। তাঁদের দাবি, তাঁদের টাকা এই বিলগ্নিকরনের পরেও সুরক্ষিত থাকবে কি না।

দেশের অর্থনীতি নিম্নগামী থাকায়, এবারের বাজেটে নজর ছিল সকলেরই। কিন্তু বাজেট পেশ হতে বিরোধীদের মধ্যে অসন্তোষ বেড়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বাজেট ২০২০-র তীব্র সমালোচনা করেছেন।

বাজেট পেশের দিনই তিনি টুইট করেছিলেন, ‘ঐতিহ্যের সরকারি প্রতিষ্ঠানে আক্রমণ করার পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।’ এতে ক্রমশ নিরাপত্তা কমছে বলে মনে করছেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন ‘এভাবেই কি একটা যুগ শেষ হয়ে যাবে?’

শুধু LIC নয়, অন্যান্য সরকারি সংস্থা, যা বেসরকারিকরণের পরিকল্পনা করেছে সরকার, সেগুলোর নামও উল্লেখ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। LIC, ভারতীয় রেল, এয়ার ইন্ডিয়া ও BSNL-এর কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। এদিন বাজেটে বলা হয়েছে, জীবনবীমায় থাকা ভারত সরকারের শেয়ার বিক্রি করা হবে আইপিওর মাধ্যমে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।