সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়: এখন রাষ্ট্রায়ত্ত ভারতীয় জীবন বিমা নিগমের শেয়ার বেচে দিতে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই রাষ্টায়ত্ত সংস্থাটির কিছু শেয়ার বেচে সরকারের কোষাগারে অর্থ তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আর সেই কাজ করার জন্য ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু একটা সময় বেসরকারি বিমা সংস্থার দুর্নীতির জন্য জীবন বিমা সংস্থাগুলিকে এক ছাতার তলায় এনে জাতীয়করণ করা হয়েছিল । আর সেই সময় এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ফিরোজ গান্ধির। তিনি তখন সংসদে তোলাপাড় করেছিলেন এই ইস্য়ুতে।

বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সেই সময় স্বদেশি আন্দোলন শুরু হয়েছিল তারই জেরে তখন জন্ম নিয়েছিল বেশ কিছু দেশিয় বিমা সংস্থা৷ সেই যুগে জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি থেকে পথ চলা শুরু করে হিন্দুস্থান কো-অপারেটিভ ইন্সিওরেন্স কোম্পানি৷ জাতীয়তাবাদের উন্মেষের সময়ে যাদের উদ্যোগে এই সংস্থাটির জন্ম হয়েছিল তাঁরা হলেন – সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর, ব্রজেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী, শ্রীশচন্দ্র রায় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর৷ তবে বিমা জাতীয়করণ হতে এদেশে তারপরে সময় লেগেছিল আরও পাঁচটা দশক৷ পাঁচের দশকে জীবনবিমা সংস্থাগুলিকে এক ছাতার তলায় আনা হয়েছিল। সেগুলিকে নিয়ে ভারতীয় জীবনবিমা নিগম নামে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটির জন্ম হয়। তখন এই কাজে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন ফিরোজ গান্ধি৷

জামাই হিসেবে ফিরোজ গান্ধিকে ঠিক পছন্দ করতেন না জওহরলাল নেহরু৷ তেমনই আবার জামাইকে দেখা যেত নানা সময়ে শ্বশুর অথবা তাঁর সরকারের কাজের ত্রুটি বিচ্যুতি তুলে ধরে সমালোচনা করতে৷ এটা ঘটনা, স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই বহু দেশিয় বাণিজ্যিক গোষ্ঠী ক্রমশ রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে থাকে৷ বাণিজ্যের সঙ্গে রাজনীতির এই যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশে আর্থিক অনিময় মাথাচাড়া দিতে থাকে৷ আর একজন সাংসদ তথা ন্যাশনাল হেরাল্ডের মতো কাগজের দায়িত্বে থাকার সুবাদে ফিরোজ গান্ধিও সেই সব আর্থিক অনিয়মই তুলে ধরতে সক্রিয় হন৷ জামাইয়ের এমন আচরণের ফলে শ্বশুর প্রধানমন্ত্রী নেহরুর বিড়ম্বনা বাড়তে থাকে৷ সেই সময় দুর্নীতি বিরোধিতা করতে প্রায়শই সংসদে সবর হতে দেখা যেত ফিরোজকে ৷

১৯৫৫ সালের ৬ ডিসেম্বর সংসদে প্রথম তুলে ধরা হয়েছিল বড় শিল্পগোষ্ঠীর দুর্নীতির কথা৷ সেদিন লোকসভায় বিমা (সংশোধনী) বিলটি পেশ করার পর ফিরোজ সংসদে তাঁর প্রথম ভাষণটি দেন ৷ গোটা বিষয়টির জন্য কক্ষে পাঁচ ঘন্টা সময় বরাদ্দ থাকলেও তিনি ১ঘন্টা ৫০ মিনিটের ভাষণ দিয়ে রাতারাতি বাজিমাৎ করেন৷ সেদিনের সেই ভাষণে ফাঁস করেছিলেন ডালমিয়া-জৈন গোষ্ঠীর ভারত ইন্সিওরেন্স কোম্পানি কেমন করে বিমাকারীদের প্রতারণা করছে ৷ বিমা কোম্পানির টাকা এই শিল্পগোষ্ঠীর অন্যান্য উদ্যোগে কাজে লাগান হচ্ছে কিন্তু তার থেকে পাওয়া মুনাফা আদৌ জমা পড়ছে না ওই সংস্থার বিমা তহবিলে ৷ বদলে বেআইনি পথে লাভের অর্থ যোগ হচ্ছিল শিল্পগোষ্ঠীর কর্তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে৷ সংসদে ফিরোজের প্রথম ভাষণের জেরে বেসরকারি বিমার মৃত্যু ঘন্টা বেজে গিয়েছিল৷এরপর কিছুদিন ধরেই লোকসভায় ক্রমাগত বিমা জাতীয়করণের দাবি তুলে সরব হতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে ৷ কারণ তাঁর মনে হয়েছিল বিমাকারীদের স্বার্থরক্ষার্থে শুধু বিমা আইন সংশোধনই যথেষ্ঠ নয়৷ অন্যদিকে ওই কেলেঙ্কারি জানাজানি হওয়ার পর ডালমিয়া-জৈন গোষ্ঠীর কর্তা রামকৃষ্ণ ডালমিয়ার দুবছরের জেল হয়৷ তবে তাঁকে তিহার জেলে পাঠান হলেও তিনি অবশ্য ওই সময়ের বেশির ভাগটাই অসুস্থতার দোহাই দিয়ে হাসপাতালেই কাটান৷

ফিরোজ সেই সময় একের পর এক প্রশ্ন তুলেছিলেন বেসরকারি হাতে থাকা বিমা ব্যবসার পদ্ধতিগত ত্রুটি বিচ্যুতির উপর৷ উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠীর বিমার সঙ্গে ব্যাংক ব্যবসা চালান নিয়েও ৷ কারণ দেখা গিয়েছিল এই দুয়ের যোগসাজসে সাধারণ মানুষের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছিল৷ যেমন তখন ডালমিয়া-জৈন গোষ্ঠীর হাতে ছিল ভারত ইন্সিওরেন্স কোম্পানির পাশাপাশি ভারত ব্যাংক৷ তাছাড়া আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কাজ চালাত অন্যান্য বিমা সংস্থাগুলিও৷ রায়বেরিলির সাংসদ বিভিন্ন নথিপত্র ঘেঁটে উল্লেখ করেছিলেন, সেই সময় ৬৬ টি সংস্থা বিমা নিয়ন্ত্রকের কাছে তাদের হিসাব সংক্রান্ত তথ্য জমা করেনি৷ ২৩টি সংস্থা তাদের কোম্পানির ‘ভ্যালুয়েশন’ সংক্রান্ত নথি জমা দেয়নি৷ প্রশ্ন তুলেছিলেন কেন বিমা সংস্থাগুলি ‘কালেকশন চার্জ ’বাবদ বিপুল অংকের টাকা খরচ করে? কারণ উদাহরণ হিসবে দেখিয়ে ছিলেন এই সব সংস্থা ৫৪ কোটি টাকা প্রিমিয়াম পেলে তা সংগ্রহের জন্য ১৫.৫ কোটি টাকা খরচ করা হয়৷ তাছাড়া প্রশ্ন তোলেন – বিমা করার পরে তা চালিয়ে না গিয়ে বিমাকারীদের বন্ধ করে দেওয়ার প্রবণতা এত বেশি কেন?

জীবনবিমা জাতীয়করণের দাবিতে ক্ষমতাশীন কংগ্রেসের সাংসদ ফিরোজ তখন সোচ্চার হলেও তেমন ভাবে পাল্টা বিরোধিতার মুখে পড়তে হয়নি কারণ এমন উদ্যোগকে সমর্থন করছিলেন সেই সময় বিরোধী কমিউনিস্ট এবং সোসালিস্টরা৷ এর বাইরে থাকা যাঁরা এর বিরোধিতায় নেমেছিলেন তাঁরা তেমন সুবিধা করতে পারেননি ৷ ফলে ১৯৫৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ভারতে জীবনবিমা জাতীয়করণ করা হয় ৷ ওই সময় ১৫৪টি ভারতীয় জীবনবিমা সংস্থা ১৬টি অ-ভারতীয় সংস্থা এবং ৭৫টি প্রভিডেন্ট অর্থাৎ মোট ২৪৫টি সংস্থা এদেশে এই ক্ষেত্রে কাজ করছিল৷ এই সংস্থাগুলিকে জাতীয়করণ করা হয়েছিল দুটি ধাপে – প্রাথমিক ভাবে অর্ডিন্যান্স জারি করে সংস্থাগুলির ম্যানেজমেন্টকে হাতে নেওয়া হয়৷ তারপরে বিল জারি করে মালিকানা নেওয়া হয়েছিল৷ ১৯৫৬ সালের ২৩মে জীবনবিমা নিগম বিল এবং ১৯জুন ভারতীয় জীবনবিমা নিগম আইন ১৯৫৬ পাশ হয় ৷ এর কয়েকমাসের মধ্যেই ১৯৫৬ সালের ১সেপ্টেম্বর ভারতীয় জীবনবিমা নিগম(লাইফ ইন্সিওরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া) জন্ম নেয় ৷ নিগমের কেন্দ্রীয় অফিস হয় বম্বেতে ৷ কেন্দ্রীয় অর্থ সচিব এইচ এম প্যাটেলকে নিগমের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনিই আপাতত তখন হন নতুন এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান৷ তবে ঘটনাচক্রে ওই দিনই টি টি কৃষ্ণমাচারি হন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী কারণ তার আগেই পূর্ববর্তী অর্থমন্ত্রী সিডি দেশমুখ পদত্যাগ করেছিলেন৷

রাষ্ট্রায়ত্ত ভারতীয় জীবনবিমা নিগম আত্মপ্রকাশ করলেও স্বস্তি পাননি ফিরোজ গান্ধি৷ তিনি লক্ষ্য করেছিলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বেশ কিছু বাণিজ্যিক গোষ্ঠীর সঙ্গে নেতা ও আমলাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছিল ৷ তাঁদের এই কাছাকাছি আসার জেরে আর্থিক অনিয়মও মাথা চাড়া দিতে থাকে৷ ফলে সরকারি বিমা সংস্থাটি বেসরকারি প্রভাবে বিপথগামী হতে থাকে আর তা দেখে অবশ্যই বিচলিত হন ফিরোজ গান্ধী ৷ তখন জীবনবিমা নিগমের ব্যবসা যাতে ঠিক পথে চলে তার জন্য বছর খানেকের মধ্যেই ফের সক্রিয় হতে হয় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর জামাইকে৷

১৯৫২ সালের মতোই ১৯৫৭ সালেও রায়বেরিলি থেকে ফের জিতে সংসদে আসেন ফিরোজ গান্ধি৷ তখনই তাঁর নজরে আসে কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জের ফাটকাবাজ হরিদাস মুন্দ্রা কেমন ভাবে জীবনবিমা নিগমে তার প্রভাব খাটাচ্ছেন৷ ফলে ১৯৫৭ সালের নভেম্বর- ডিসেম্বর মাস থেকে ফের লোকসভা উত্তাল করেন জীবনবিমা নিয়ে৷ মু্ন্দ্রার কাজকর্ম নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তোলেন ৷ ট্রেজারি বেঞ্চে বসেই তিনি সরকারের কাছে জানতে চান- নতুন করে গড়ে ওঠা জীবনবিমা নিগম আদৌ কি তাদের সাড়ে পাঁচ কোটি পলিসি হোল্ডারকে জানিয়ে বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে শেয়ার কিনেছে ? ওই সময় এলআইসি মুন্দ্রার ছয়টি দুর্বল সংস্থায় ১.২৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে বড় লোকসানের মুখে পড়েছিল ৷

সেই সময় ক্ষমতাশীন কংগ্রেসের সাংসদ হয়েও ফিরোজ নিজে সোচ্চার হলেন এই ভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার টাকা নয় ছয় হতে দেখে ৷ বরং যারা কিছুদিন আগে জীবনবিমা জাতীয়করণে বাধা দিয়েছিলেন তাঁরা ওই সময় এই বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দিতে চাইলেন না৷ পরিস্থিতি বুঝে ১৯৫৭ সালের ১৬ ডিসম্বরে সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি জানান- সংসদকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং বৃহত্তম ও সবচেয়ে শক্তিশালী আর্থিক প্রতিষ্ঠান এই ভারতীয় জীবনবিমা নিগমের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে৷ সেখানে থাকা জনগণের তহবিলের কোনও রকম অপব্যবহার হয়েছে কিনা সেটা জানতে ওইদিনই সংস্থাটির অবস্থা পরীক্ষা করানোর কথা বলেন৷

জামাইয়ের এমন কাণ্ডকারখানার ফলে সংসদে তখন রীতিমতো অস্বস্তিতে প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহরু৷ ক্ষুব্ধ স্বয়ং অর্থমন্ত্রী কৃষ্ণমাচারি ৷ তিনি প্রথমে ওই ঘটনা ধামাচাপা দিতে চাইলেও পরে স্বীকার করে নেন অমন ঘটনা ঘটেছে বলে ৷ এই দুর্নীতি জানাজানি হওয়ার পর সরকার বাধ্য হয় তদন্ত কমিটি গড়তে৷ বম্বে হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এম সি চাগলাকে নিয়ে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গড়া হয়৷ ২৪ দিন ধরে শুনানির সময় বহু মানুষ সেখানে ভিড় করেছিলেন৷ এই ভাবে শেয়ার কেনার মাধ্যমে বাজার চাঙ্গা হবে বলে অর্থমন্ত্রক দাবি করলেও বহু বিখ্যাত স্টক ব্রোকার যারা জীবনবিমার লগ্নি কমিটিতে ছিলেন, তারাও জানিয়ে দেন তা আদৌ ঠিক নয়৷ তাছাড়া জীবনবিমা তার বিনিয়োগ কমিটির কাছ থেকে পরামর্শ নিতে গেলে তখন তারা মুন্দ্রার জাল শেয়ার দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন ৷

তারপরে বিচারপতি চাগলা নির্ধারণ করেন অর্থ সচিব এইচ এম প্যাটেল এবং জীবনবিমার দুই আধিকারিকের আঁতাতে যে সব পেমেন্ট হয়েছে সেটাও খতিয়ে দেখা দরকার৷ ফলে পরবর্তীকালে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ভিবিয়ান বোসের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়৷ তদন্ত কমিটি দুজন সিভিল সার্ভেন্টকে অব্যাহতি দিলেও ‘মিথ্যা’ বলার জন্য অর্থমন্ত্রীর সমালোচনা করেন৷ পুরো বিষয়টি তৎকালীন অর্থমন্ত্রী টিটি কৃষ্ণমাচারিকে চরম বিড়ম্বনায় ফেলেছিল৷ আত্মপক্ষ সমর্থনে তিনি নিজে আদৌ এলআইসি-র এমন সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না বলে দাবি করেন এবং অর্থসচিব সমস্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে অজুহাত দেখাতে চেয়েছিলেন৷ যদিও বিচারপতি চাগলা সংবিধান অনুসারে মন্ত্রীকেও দায়ী করেন৷ এর জেরে কৃষ্ণমাচারি বাধ্য হন পদত্যাগ করতে৷ এইচ এম প্যাটেল চাকরি ছেড়ে দেন৷ ওদিকে দিল্লির বিলাসবহুল হোটেল থেকে হরিদাস মুন্দ্রাকে গ্রেফতার করা হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.