মিউনিখ: জিতলে আরবি লেইপজিগকে পিছনে ফেলে ফের শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে। তাই তিন পয়েন্টের লক্ষ্যেই এদিন ঘরের মাঠে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের মুখোমুখি হয়েছিল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন। রবার্ট লেওয়ানদোস্কি বনাম আর্লিং হ্যালান্ড দ্বৈরথ ঘিরে পারদ ছিল ঊর্ধ্বমুখী। নিরাশ করলেন কেউই। তবে অভিজ্ঞতায় হ্যালান্ডকে হারিয়ে শেষ হাসি হাসলেন রবার্ট লেওয়ানদোস্কিই।

নরওয়ে স্ট্রাইকারের জোড়া গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা হল না ডর্টমুন্ডের। পালটা পোলিশ স্ট্রাইকারের হ্যাটট্রিকে ভর করে ইয়েলো ব্রিগেডকে ঘরের মাঠে চার গোল দিল ইউরোপ সেরা বায়ার্ন মিউমিখ। একইসঙ্গে লেইপজিগকে টপকে ফের বুন্দেসলিগার শীর্ষে বাভারিয়ানরা। প্রথম ১০ মিনিটেই দু’গোল। উত্তেজক ম্যাচের শুরুতে শনিবার আলিয়াঞ্জ এরিনায় হ্যালান্ড ঝড়। প্রথম গোল ম্যাচের ২ মিনিটে। বক্সের বাইরে থেকে নরওয়ে স্ট্রাইকারের বাঁ-পায়ের শট বোয়েটাং’য়ের পায়ে প্রতিহত হয়ে ঢুকে যায় গোলে।

ম্যাচের ৯ মিনিটে হ্যালান্ডের দ্বিতীয় গোল স্খালজের কাটব্যাক থেকে। তবে দু’গোলে পিছিয়ে পড়ে হতোদ্যম না হয়ে প্রত্যুত্তরটা জোরালোভাবেই দেয় বাভারিয়ানরা। ২৬ মিনিটে ডানপ্রান্ত থেকে লেরয় সেনের মাটি ঘেঁষা ক্রস ফাঁকা গোলে ঠেলতে ভুল করেননি লেওয়ান। আক্রমণে চাপ বজায় রেখে বিরতির ঠিক আগে ম্যাচে সমতা ফেরায় ইউরোপ সেরারা। বক্সের মধ্যে কোম্যানকে ডর্টমুন্ডের এক ডিফেন্ডার ফাউল করলে পেনাল্টি পায় বায়ার্ন। স্পটকিক থেকে দলের এবং নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন পোলিশ স্ট্রাইকার।

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ এবং প্রতি-আক্রমণে ম্যাচ উপভোগ্য হয়ে উঠলেও গোলের দেখা মিলছিল না। এরই মধ্যে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন হ্যালান্ড। অন্যদিকে পেশির টানে মাঠ ছাড়তে হয় বোয়েটাংকে। মোটামুটি সবাই যখন ধরে নিয়েছে প্রথমার্ধের চার গোলই ম্যাচের নির্ণায়ক, ঠিক তখনই ফের জ্বলে ওঠে বায়ার্ন। কিমিচের ক্রস বক্সে মেউনিয়ের আংশিক প্রতিহত করলে টপ অফ দ্য বক্স থেকে গোরেৎস্কার ভলি প্রবেশ করে যায় জালে। এখানেই শেষ নয়।

নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে ফের লেওয়ানদোস্কি ম্যাজিক। বামপ্রান্ত থেকে আলফোন্সো ডেভিয়েসের পাস ধরে বক্সের খানিকটা বাইরে থেকে মাটি ঘেঁষা শট নেন তিনি। পোলিশ স্ট্রাইকারের সেই শট বিপক্ষ গোলরক্ষকের নাগাল এড়িয়ে জড়িয়ে যায় জালে। ৪-২ গোলে জিতে লিগের মগডালে চড়ে বসে বায়ার্ন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।