ওয়াশিংটন: খামে ভরা বিষ। আর সেই খাম পৌঁছে গেল হোয়াইট হাউসে। তদন্ত শুরু করলেন গোয়েন্দারা।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ‘রাইসিন’ নামে একটি বিষ ভরা আছে ওই খামে। আর সেটাই পৌঁছে গিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবনে।

কানাডা থেকে ওই এনভেলোপ এসেছে বলে জানা গিয়েছে। হোয়াইট হাউসে আসার আগে ওই খাম একটি সরকারি মেল সেন্টারে পৌঁছয়। আর সেখানেই বিষয়টা ধরা পড়ে যায়।

এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে এফবিআই, ইউএস সিক্রেট সার্ভিস ও ইউএস পোস্টাল ইন্সপেকশন সার্ভিস। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত সাধারণ মানুষের কোনও বোপদ নেই বলেই জানিয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দারা।

এই বিষয়ে অবশ্য ইউএস সিক্রেট সার্ভিস কোনও মন্তব্য করেনি।

রাইসিন প্রাকৃতিকভাবে খুব সহজেই পাওয়া যায়। কিন্তু এটিকে রাসায়নিক অস্ত্রে পরিনত করতে দক্ষতা লাগে। কেউ এই বিষের সংস্পর্শে আসার ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার মৃত্যু হতে পারে। খুব সামান্য পরিমাণ বিষ থেকেই হতে পারে বিপদ। এর কোনও অ্যান্টিডোটের কথাও জানা নেই।

আমেরিকায় এই বিষ এভাবে খামে ভরে পাঠানোর ঘটনা নতুন নয়। এর আগে ২০১৮ তে উইলিয়াম ক্লাইড নামে এক ব্যক্তিকে এরকমই একটি ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল।

এভাবেই প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কাছেও পৌঁছে গিয়েছিল রাইসিন ভরা খাম। এক বার নয়, দু’বার। দুই ব্যক্তিকে পাকড়াও করেছিলেন মার্কিন গোয়েন্দারা।

২০১৪ তে ওবামাকে এইভাবে বিষে ভরা খাম পাঠানোর জন্য জেমস আভেরট ডাচকে নামে এক ব্যক্তির ২৫ বছরের জেলের শাস্তি হয়। ওই ব্যক্তি ইউএস সেনেটর ও এক বিচারপতিকেও এই বিষ পাঠিয়েছিল।

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।