নয়াদিল্লি: সোশ্যাল মিডিয়ায় কংগ্রেস নেতা তথা সাংসদ শশী থারুরের সাম্প্রতিক একটি পোস্ট অনেকের নজর কেড়েছে। শশী সুপরিচিত ইংরেজি লেখার জন্য। তিনি এবার টুইটারে একটি পোস্ট দিয়েছেন, যেখানে জহরলাল নেহরুকে‌ প্রশংসা করে লেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি চিঠি তুলে ধরা হয়েছে। ওই চিঠিতে রবি ঠাকুরকে জহরলাল নেহরুর আত্মজীবনী পড়ে তাকে প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছে।

১৯৩৪ সালের জুন মাস থেকে ১৯৩৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাস জেলে থাকাকালীন তার আত্মজীবনী লিখেছিলেন নেহেরু। ‘অ্যান অটোবায়োগ্রাফি'(টুওয়ার্ডস ফ্রিডম‌ নামেও এই বইটি পরিচিত) নামে সেই বইটি ১৯৩৬ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়। রবীন্দ্রনাথের লেখা এই উল্লেখিত চিঠিটির তারিখ হল ১৯৩৬ সালের ৩১ মে।

ওই চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, “প্রিয় জহরলাল তোমার বইখানি সবেমাত্র শেষ করেছি। আমি অত্যন্ত অভিভূত এবং তোমার কাজের জন্য গর্বিত। এই বইয়ের যাবতীয় খুঁটিনাটির মাধ্যমে মানবিকতার এক গভীর স্রোত যেন বয়ে চলেছে। তথ্যের ভার ছাপিয়ে গিয়ে এটা যেন আমাদের এমন এক ব্যক্তির কাছে নিয়ে যায়, যিনি তাঁর কর্মের চেয়ে বড়, তার পারিপার্শ্বিক এর চেয়ে খাঁটি।”
নোবেলজয়ী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের নিজের হাতে লেখা ওই চিঠির ছবি তুলে শেয়ার করেছেন শশী থারুর। পাশাপাশি ওই পোস্টে শশী থারুর লিখেছেন, “১৯৩৬ সালে পন্ডিত নেহেরুর আত্মজীবনী পড়ে গুরুদেব রবীন্দ্রনাথের লেখা। অসামান্য অনবদ্য।”এই পোস্ট দেখে বহু মানুষ লাইক এবং রিটুইট করেছেন।

এই পোস্ট দেখে অনেকেরই মনে হয়েছে, যেখানে বর্তমান মোদী সরকার নানা বিষয় নিয়ে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরুকে দোষারোপ করে থাকে, সেখানে এই পথে মোকাবিলা করতে চেয়েছেন শশী। যেন বর্তমানকে জবাব দিতে ইতিহাসকে বেছে নিয়েছেন শশী থারুর।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।