বিশেষ প্রতিবেদন: বেড়াতে যেতে কার না-ভালো লাগে? একঘেয়ে জীবনে রিফ্রেশ আনতে সুযোগ পেলেই মানুষ পাড়ি দিতে চায় জঙ্গল-সমুদ্র পাহাড়ে। মরুভূমিও ভালোবাসেন অনেকে। আর কেউ কেউ ছুঁয়ে দেখতে চান প্রাচীন মন্দির। মন্দির বলতেই প্রথমে মনে পড়ে খাজুরাহো। মধ্যপ্রদেশে গিয়ে খাজুরাহো মন্দির দেখেছেন অনেকেই৷ কিন্তু জানেন কি, ছত্তিশগড়েও আছে আরেকটা খাজুরাহো?

মন্দিরের নাম ভোরামদেও। অনেকাংশে খাজুরাহোর সঙ্গে মিল থাকার কারণে, ভোরামদেওকে ছত্তিশগড়ের খাজুরাহো বা দ্বিতীয় খাজুরাহো বলা হয়। জানা গিয়েছে, সপ্তদশ থেকে একাদশ শতকের মধ্যে গড়ে উঠেছিল এই মন্দিরের গায়ের অপূর্ব শিল্পকীর্তিগুলি। রয়েছে রামায়ণ প্রেক্ষাপটের ছবি এবং মিথুন মূর্তি। যা আপনাকে অবাক করে দেবে। এছাড়াও মন্দিরের ভেতরে রয়েছে নজরকাড়া চামুণ্ডা, নটরাজ, সূর্য, মহেশ্বর, সপ্তমাতৃকা, কার্তিক, গণেশের মূর্তি।

মন্দির গর্ভে থাকা শিবলিঙ্গটি ভীষণ জাগ্রত বলে কথিত। প্রতিদিন পুজো দিতে আসেন বহু পর্যটক। মন্দিরের পাশেই রয়েছে একটি দিঘি। এছাড়া রয়েছে একটি বিয়ের মঞ্চ। নাগ বংশীয় সম্রাট রামচন্দ্রদেও মঞ্চটি নির্মাণ করেন। বহু দিন আগে তৈরি মন্দিরের স্থাপত্যগুলির মধ্যে এখনও নতুনত্ব খুঁজে পান পুরাত্তত্ববিদেরা। রায়পুর থেকে গাড়িতে ভোরামদেও যেতে সময় লাগে চার ঘণ্টা। বাস সবসময় মেলে না তাই ভাড়া গাড়ি থাকলে ভালো। অথবা কাওধারা পর্যন্ত বাসে গিয়ে সেখান থেকে অটোতে যাওয়া যায়। তাহলে আজই ঘুরে আসুন অন্য খাজুরাহো ভোরামদেও।

কোথায় থাকবেন: ছত্তিশগড় পর্যটনের সরকারি রেস্ট হাউস। ফোন: ০৯৮২৬৮৩৩৭৭২৭।