স্টাফ রিপোর্টার, পুরুলিয়া: হাতে দুটোদিন চলে আসুন হীরক রাজার দেশে৷ একে বারে তাই৷ পুরুলিয়ার এই পাহাড়েই শুটিং হয়ে ছিল বহু বছর আগে সত্যজিৎ রায়ের হীরক রাজার দেশে সিনেমার। ২০১৫ সালে এখানেই গড়ে উঠেছে জয়চন্ডি পাহাড় পর্যটন কেন্দ্র। পাহাড়ের উপরে কটেজ ডবল বেড ২৫০০ থেকে ৩৫০০ টাকা। খাওয়া দাওয়া জন্য পাহাড়ের উপরে আছে রেস্টুরেন্ট, ডাল ভাত সবজী ৯০টাকা, মুরগি ভাত ১৫০ টাকা, সকালের জল খাবার ৫০ টাকা, বাকি সবি পেয়ে যাবেন পাহাড়ের উপরেই৷

কলকাতা থেকে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরের জয়চন্ডি পাহাড়, হাওড়া স্টেশন থেকে রাতে ১১টা ট্রেন চক্রধরপুর হাওড়া ভাড়া মাথা পিছু ১৩০ টাকা প্রায়। পরের দিন সকাল ৬টা নাগাদ আদ্রা স্টেশন, এর পর আদ্রা স্টেশন থেকে গাড়ি করে রঘুনাথপুরের জয়চন্ডি পাহাড় ৫ থেকে ৬ কিলো মিটার পথ। গাড়ি ভাড়া ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। অথবা কলকাতা থেকে সরাসরি গাড়ি করে বেরিয়ে পড়ুন রাস্তা পড়বে ২৭০ কিলোমিটার প্রায়।

রাস্তা দ্বিতীয় হুগলী সেতু পেরিয়ে কোনা এক্সপ্রেস রাস্তা ধরে ডানকুনি, সিঙ্গুর হয়ে বর্ধমান, পানাগড় বাইপাস হয়ে সোজা দুর্গাপুর, আসানসোল থেকে রঘুনাথপুর সময় লাগবে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা প্রায়। দুটো দিন কাটিয়ে এবার ফেরার পালা, আদ্রা স্টেশন থেকে চক্রধরপুর হাওড়া ট্রেন রাত ৯.৩৫ ট্রেন ছাড়বে। পরের দিন কাক ভোরে হাওড়া স্টেশনে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.