শিরোনামটা পরে নিশ্চয়ই ঘৃণা আসছে? কিন্তু মনে রাখুন আপনিও এই দেশের বাসিন্দা। এমন ঘটনা রোজ আপনার দেশেও ঘটছে। গত বছর থেকে আমরা সকলে একটি মারণ ভাইরাসের কবলে পড়েছি যেখানে থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা (hygiene)। কিন্তু এই বিষয়টিকে বহু মানুষ এখনো অবজ্ঞা করে চলেছেন।

চিকিৎসকেরা বারবার হাত ভালো করে সাবান দিয়ে ধোয়ার বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন হাত জীবাণুমুক্ত রাখার জন্য (hand wash)। কিন্তু যখন তখন সাবান দিয়ে হাত ধোওয়া তো দূর বহু মানুষ এখনো শৌচকর্মের পরেও ঠিক করে হাত ধোওয়ার পক্ষপাতী নন। কারণ তাদের মধ্যে সেই অভ্যাসটাই নেই (hand wash)। এমন দাবি করছে একদল গবেষক।

তবে শুধুমাত্র ভারত নয় বিদেশে তথ্য প্রমাণ মিলেছে (hand wash)। গবেষণা বলছে যে আমাদের দেশে ৩৫.৮ শতাংশ মানুষ খাবার খেতে যাবার আগে ডিটারজেন্ট বাজে কোন সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নেন। এছাড়াও ৬০.০৪ শতাংশ নাগরিকরা আবার শুধুমাত্র খাওয়ার আগেই হাত ধুতে যান।

আমাদের দেশের মধ্যে শহরে সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ৫৬ শতাংশ এবং জল দিয়ে ৪২.১ শতাংশ মানুষ হাত পরিষ্কার করে নেন। আবার গ্রামের দিকে ২৫.৩ শতাংশ সাবান বা ডিটারজেন্ট ও ৬৯.৯ শতাংশ মানুষ শুধুমাত্র জল দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন। তবে শৌচকর্ম (toilet) এরপরে তাদের মধ্যে কারোরই হাত ধোয়ার অভ্যাস এখনও নেই।

আরো পড়ুন- নিখুঁত ছবি আঁকে শূকর! লাখে বিক্রি হয় পেন্টিং

এ সমীক্ষায় চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, নেদারল্যান্ডসের নামও উঠে এসেছে। এই তালিকায় আমাদের দেশ ভারত রয়েছে ১০ নম্বরে। সমীক্ষাটি মোট ৬৩ টি দেশ নিয়ে করা হয়েছিল। শৌচকর্মের (toilet) পরে হাত ধোওয়া নিয়ে সবথেকে বেশি জনসচেতনতার অভাব রয়েছে চীনে।

এরপর যথাক্রমে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং নেদারল্যান্ডসের নাম এসেছে সামনে। গোটা সমীক্ষায় কতগুলি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল তাদের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ স্বীকার করে নিয়েছে যে সহ্য করে এরপর তারা কেউই হাত ধোয়ে না। অর্থাৎ এইসব দেশেই পরিচ্ছন্নতায় উদাসীনতার খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.