কলকাতা: করোনা ঠেকাতে এবার সক্রিয় রাজ্যও। করোনা চিকিৎসাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে জরুরি নয় এমন অপারেশনকে ১৫ দিনের জন্য বন্ধ রাখল পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

জানা গিয়েছে, করোনা চিকিৎসা যাতে গুরুত্ব দিয়ে করা যায় তার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। ওপিডি- ব্যবস্থাও হাসপাতালে না করে বাইরে করার বিষয়ে ভাবনা চিন্তা চলছে।

উল্লেখ্য, সারা দেশেই বিগত কয়েক সপ্তাহে বেড়েছে সংক্রমণ। এরাজ্যেও পরিস্থিতিটা একই। সোমবারের রিপোর্ট বলছে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৪২৬ জন। আর শুধু কলকাতায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ২১১ জন।

কলকাতা সোমবারও সংক্রমণে প্রথম স্থানে রয়েছে। কোনও ভাবেই কলকাতার সংক্রমণে রাশ টানা যাচ্ছে না। আসলে কাজের সূত্রে বিভিন্ন জেলা থেকে কলকাতায় বহু মানুষ রোজ আসেন। তাদের কে সংক্রমণ ছড়িয়ে যাচ্ছে তার কোনও হিসেবে নেই। তাছাড়া কলকাতার এক শ্রেণীর মানুষের মধ্যে বেপরোয়া ভাব সম্প্রতি বেড়ে গেছে। এদের কেউ কেউ মাস্ক ব্যবহার করছেন না। অথবা মাস্ক ব্যবহার করলেও সেটা নাকের নিচে থাকছে। এই সব কারণে কলকাতা সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে বলেই চিকিৎসকদের মত।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর ২৪ পরগনায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৮০১ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫২২ জন। হাওড়া ও হুগলিতে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৫২৭ ও ৪৪০ জন। মালদাতে দৈনিক সংক্রমণ খুব বেড়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় মালদায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩৫ জন। রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এই মুহূর্তে ৬ লক্ষ ৬৮ হাজার ৩৫৩ জন।

মঙ্গলবার ভ্যাকসিনের সরবরাহ নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব এবং রাজ্যের স্বাস্থ্য আধিকারিকগন। আজকের এই বৈঠক থেকেই রাজ্যকে কীভাবে ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হবে সেই সংক্রান্ত গাইডলাইন প্রকাশ করা হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ রেমডেসিভির, অক্সিজেন এবং অন্যান্য ওষুধপত্রও সরবরাহ নিয়েও আলোচনা হতে পারে এই বৈঠকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.