চণ্ডীগড়:করোনার জের। এক সপ্তাহ হতে চলল কার্যত বন্দি দশা কাটাছেন গোটা ভারতবাসী। এমন ঘরবন্দি দশা থেকে সহজে রেহাই পাওয়ার ছাড়পএ মিলবে না এক্ষুনি। ফলে এমন অসহায় অবস্থায় লকডাউনের আরও বাকি দিনগুলি ঘরবদ্ধ হয়েই কাটাতে হবে সাধারণ মানুষকে। তেমনটাই খবর।

যদিও এই অবস্থায় কিছুটা হলেও মানুষের অত্যাচারের হাত থেকে বেঁচেছে বন্য জীবজন্তুরা। টিভি বা সংবাদমাধ্যমে চোখ রাখলেই বুঝে যাবেন আসল কারনটা।

তবে একটু সোজা ভাষায় বললে যেটা দাঁড়ায় তা হল, করোনার ভয়ে গোটা পৃথিবীর মানুষেরা এখন ঘরবন্দি রাখছেন নিজেকে। ঠিক যেমন, শুধুমাএ বিনোদনের জন্য বন্যদের খাঁচায় বদ্ধ করে রাখি আমরা। করোনা পরিস্থিতির জেরে এখন যেন দুনিয়া জুড়ে উলটে পুরাণ ঘটছে। এরফলে মানুষ নিজেকে আবদ্ধ করে রাখছেন, আর পশুপাখিরা নিজেরদেরকে মুক্ত করে দিচ্ছে প্রকৃতির কোলে।

ঠিক তাই। লকডাউনের জেরে এখন এমন দৃশ্যের হামেসাই দেখা মিলছে। তার জলজ্যান্ত উদাহরণ হল কেন্দ্রশাসিত চন্ডীগড় রাজ্য।

হ্যাঁ এদিন সকালে চন্ডীগড়ের রাস্তায় তথা লোকালয়ে দেখা মিলল ইয়া..বড়ো এক চিতাবাঘের। যা দেখে প্রথমে নিজের চোখকে বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না সেই সময় চণ্ডীগড়ের রাস্তায় টহলরত পুলিশ কর্মীরা। পরে অবশ্য বনদফতরের সহায়তায় চিতাটিকে ছেঁড়ে দিয়ে আসা হয় জঙলে। আর হাঁফ ছেঁড়ে বাঁচেন পুলিশ কর্তারাও।

এদিন সকালের এমন ভয়ানক ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে চণ্ডীগড়ের পুলিশ সুপার বলেন, ” সোমবার সকাল ৮:১৫মিনিট নাগাদ ওই চিতাবাঘটি শহরের লোকালয়ের মধ্যো ঢুকে পড়ে। চোখের সামনে জলজ্যান্ত বাঘ দেখে কিছুটা ভিমরি খেয়ে গিয়েছিলাম। পরে সামলে নিয়ে দ্রুত বন দফতরের সঙে যোগাযোগ করি।”

এদিকে, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বনদফতরের কর্মীরা। তাঁরাই চিতাটিকে উদ্ধার করে পরে জঙলে ছেঁড়ে দেয়। জানা গিয়েছে, চিতাটি রাজ্যোর ‘শুখনা অভয়ারণ্যের। এদিন সকালে সেটি খাবারের খোঁজে এদিক-ওদিক ঘোরাঘুরি করতে করতে শহরের মূল কেন্দ্রে ঢুকে পড়েছিলো।

যদিও, গোটা দেশের মতো চণ্ডীগড়ও তালাবন্দ থাকায় কোনও রকম বিপদ বা ক্ষয়ক্ষতির কোনও ঘটনা ঘটেনি।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব