বুদাপেস্ট: হারের হ্যাটট্রিক থেকে রক্ষা পেল ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। ক্ষণিকের ভুলে লিভারপুলের হাতে ম্যাচ উপহার দিল লাইপজিগ৷ মঙ্গলবার বুদাপেস্টে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগের ম্যাচে জার্মানির এই দলটিকে হারায় লিভারপুল৷ সেই সঙ্গে কোয়ার্টার ফাইনালের পথে এক পা এগিয়ে গেল ‘দ্য রেডস’৷

জার্মান প্রসাশন এখনও কোনও বিদেশি দলকে দেশের মাটিতে খেলার অনুমতি দেয়নি৷ ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল মূলত লাইপজিগের রেড বুল অ্যারিনায়। কিন্তু নতুন করে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাজ্য-সহ বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে জার্মান সরকার৷ ফলে ম্যাচটি হাঙ্গেরিতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়৷

বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারিনায় মঙ্গলবার রাতে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ২-০ ব্যবধানে জেতে প্রিমিয়র লিগ চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচে লিভারপুলের হয়ে একটি করে গোল করেন আক্রমণভাগের দুই তারকা মহম্মদ সালাহ ও সাদিও মানে। গতবারের চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল এবার প্রিমিয়র লিগে চ্যাম্পিয়নদের দৌড়ে নেই৷ সুতরাং চ্যাম্পিয়ন্স লিগকেই পাখির চোখ করছে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল।

ম্যাচের পর লিভারপুল কোচ বলেন, ‘সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে অনেকেই ভেবেছিল আমরা হারব৷ কিন্তু ছেলেরা সেটা করতে দেয়নি৷ ফলে আমি খুব খুশি৷ আমি এই ম্যাচটাই চেয়েছিলাম৷ লাইপজিগ একটি দৈত্যকায় দল৷ শারীরিকভাবে ওরা আমাদের উপর নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেছিল৷ কিন্তু সেটা পারেনি৷’

পাঁচ মিনিটের মধ্যে দু’টি ভুল করে বসে লাইপজিগ৷ আর তা দারুণভাবে কাজে লাগায় লিভারপুল। ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত লাইপজিগ। কিন্তু ভাগ্যের ফেরে গোল পায়নি বুন্দেসলিগায় দু’ নম্বরে থাকা দলটি। বাঁ-দিক থেকে আনহেলিনোর ক্রসে ডি-বক্সে দানি ওলমোর ডাইভিং হেডে বল পোস্টে লাগে। লিভারপুল প্রথম সুযোগ পায় চতুর্দশ মিনিটে। অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডের পাসে বল পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে সালাহর নেওয়া শট রুখে দেন গোলরক্ষক। এর মিনিট দশেক বাদে রবের্তো ফিরমিনোর ক্রস থেকে হেড করলেও তা লক্ষ্যে রাখতে পারেননি মানে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সুযোগ পেয়েছিল জার্মান দলটি৷ কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারেনি৷ এর একটু পরই প্রতিপক্ষের জোড়া ভুলে। ম্যাচে জাঁকিয়ে বসে ‘দ্য রেডস’৷ ৫৩ মিনিটে লাইপজিগের মিড-ফিল্ডার মার্সেল সাবিতজারের ব্যাকপাস থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন সালাহ। দ্বিতীয় গোলটিতে দায় এড়াতে পারেন না ডিফেন্ডার নর্দি মুকিয়েলের। কার্টিস জোন্সের ক্রস ক্লিয়ার করার চেষ্টায় বলে পা-ই ছোঁয়াতে পারেননি তিনি৷ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান। বল পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে গোল করেন মানে। দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে ব্যবধান কমানোর দারুণ সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি লাইপজিগ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.