নয়াদিল্লি: একদিকে যেমন ভারত-চিন সংঘাত স্তিমিত হওয়ার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, অন্যদিকে দেশের মধ্যে চলছে রাজনৈতিক চাপান-উতর। গালোয়ান ভ্যালিতে এই সংঘাতের জন্য মোদী সরকারকে বারবার দায়ী করছে কংগ্রেস। কিন্তু বিজেপি একাধিক নেতা অভিযোগ করেছে যে কংগ্রেস আমলে এই সমস্যাকে সেভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এবার সেই একই অভিযোগে মুখ খুললেন লাদাখের কাউন্সিলর।

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম কি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই কাউন্সিলর উল্লেখ করেছেন, কংগ্রেস আমলে লে-মানালি রোড তৈরির ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। অযথা ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ওই রোড তৈরি করতে দেরি হয়ে যায়। আর তার জন্য ইউপিএ সরকারকে দায়ী করেছেন তিনি।

২০০০ সালের জুন মাসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর আমলে লে- মানালি রোড তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৩০০০ মিটার উচ্চতায় এটাই বিশ্বের সবথেকে বড় টানেল যার দৈর্ঘ্য ৮.৮ কিলোমিটার।

কাউন্সিলর লাকপা জানিয়েছেন, দেশের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রোড। কিন্তু ইউপিএ সরকারের আমলে এই রাস্তা তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তাঁর অভিযোগ ২০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত এই রোডের কোনও কাজ হয়নি। তাঁর দাবি ২০০৭ সালের মধ্যেই এই রাস্তা নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল।

ওই কাউন্সিলর আরও জানিয়েছেন ইউপিএ সরকার এই রাস্তা তৈরি বাজেট কমিয়ে দেয, ফলে আটকে যায় কাজ। কিন্তু নরেন্দ্র মোদী সরকার ২০১৬ সালে কেবলমাত্র এই নির্মাণের ক্ষেত্রে বাজেট বাড়িয়ে দেয়নি তৎপরতার সঙ্গে কাজ করে রাস্তা তৈরি করা হয়।

তিনি জানিয়েছেন ২০০৮ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই রাস্তা নির্মাণের জন্য ৩৩০০ থেকে ৪৬০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ করা হয়েছিল, কিন্তু নরেন্দ্র মোদী সরকার ২০১৬ সালে সেই বাজেট বাড়িয়ে ৫৪৫০ কোটি টাকা করে দেন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বরাদ্দ করা হয় ৬৭০০ কোটি টাকা, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ৮০৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। ২০২০-২১-এর ১১৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

ক্যাগ রিপোর্টের কথা উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছেন ২০১২ সালের মধ্যে ৬১ টি রাস্তা তৈরি হওয়ার কথা ছিল যার মধ্যে কেবলমাত্র ২২ টি রোড তৈরি হয় ২০১৬ সাল পর্যন্ত।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ