ওয়াশিংটন : বিশ্ব জুড়ে করোনা ছড়িয়ে আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে চিন। এমনই দাবি আমেরিকার। বরবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করে এসেছেন, যে চিনই ছড়িয়েছে করোনা। এবার বিশ্বের ৮টি দেশ একজোট হয়ে গঠন করল ইন্টার পার্লামেন্টারি অ্যালায়েন্স অন চায়না বা আইপিএসি। নেতৃত্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

শুক্রবার বিশ্বের ওই ৮টি দেশের ৮জন নেতা মিলিত হয়ে এই আন্তর্জাতিক জোট গঠন করেন। এই জোটের উদ্দ্যেশ্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার রক্ষা করা। হংকংয়ের জাতীয় সুরক্ষা বিলের বিরোধিতা করায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছিল চিন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও জানিয়ে ছিলেন, চিন সরকার হংকংয়ের দীর্ঘদিনের গর্বের স্ট্যাটাস নিজেই ক্ষুণ্ণ করছে। পরে চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান জানিয়েছেন, “চিনের কোনও কার্যকলাপে বাধা সৃষ্টি করলে কড়া প্রত্যাঘাত করবে চিন”। আরও বলেছেন, চিনের অভ্যন্তরীন কার্যকলাপে আমেরিকার নাক গলানোয় চিন-আমেরিকা সম্পর্ককে প্রভাবিত করবে।

এবার আমেরিকার উদ্যোগে আইপিএসি চিনকে কার্যত শিক্ষা দিতে গঠিত হয়েছে। জোটে রয়েছেন মার্কিন আইনপ্রণেতা মার্কো রুবিও, ফ্লোরিডার রিপাবলিকান সেনেটর, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির সদস্য মিরিয়ম লেক্সম্যান, মার্কিন ডেমোক্র্যাট বব মেনেনডেজ, জাপানের প্রাক্তন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জেনারেল নাকাতানি ও ব্রিটিশ এমপি স্যার ইয়ান ডানকান স্মিথ। রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান সেনেটর কিমবারলি কিটচিঙ্গ, কানাডার এমপি গারনেট জিনিয়াস, জার্মান এমপি মাইকেল ব্রান্ড, লিথুয়ানিয়ান এমপি মান্তাস অ্যাডোমেনাস, ডাচ এমপি আরনে ওয়েভারলিং, নরওয়ের এমপি মাইকেল টেটজশেনার।

এদিকে, করোনা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়াকেও এই জোট প্রধান আলোচ্য বিষয় হিসেবে দেখছে। উল্লেখ্য অস্ট্রেলিয়া প্রথম দেশ যে করোনা ভাইরাসের তদন্ত দাবি করে। সে দেশের বিদেশমন্ত্রী মরিস পাইনে জানিয়ে ছিলেন, যেভাবেই হোক এই সংক্রমণ ছড়ানোর কারণ সন্ধান অত্যন্ত জরুরি এবং তাতে নিরপেক্ষ হয়ে তদন্ত করতে হবে। এই খসড়া প্রস্তাবে যে সব দেশ সমর্থন করে, তার মধ্যে ছিল ভারত, জাপান, ব্রিটেন, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রাজিল ও কানাডা।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প