বালি: খোঁজ মিলল বামেদের নবান্ন অভিযানে এসে নিখোঁজ দীপক পাঁজার। শুক্রবার বালি স্টেশন চত্বর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দীপক পাঁজাকে। উদ্ধারের সময় দীপকবাবু অসংলগ্ন অবস্থায় ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পাঁশকুড়ার এই বামকর্মীকে আপাতত নিজেদের কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে রেখেছেন সিপিএম নেতা-কর্মীরা। যোগাযোগ করা হয়েছে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। শনিবার সকালেই দীপক পাঁজাকে তাঁর পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

বামেদের নবান্ন অভিযানে এসে হারিয়ে গিয়েছিলেন পাঁশকুড়ার বামকর্মী দীপক পাঁজা। দীপকবাবুর খোঁজে হন্যে হয়ে ঘুরছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। এমনকী পুলিশেও নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছিল। দলের তরফেও এক কর্মীর হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘিরে উদ্বিগ্ন হয়েছিলেন নেতারাও। পুলিশের কাছে দীপক পাঁজাকে খুঁজে বের করার জন্য আবেদনও জানায় সিপিএম। পুলিশও তৎপরতার সঙ্গে গত কয়েকদিন ধরে দীপক পাঁজার খোঁজ করেছে বিভিন্ন এলাকায়। শহর কলকাতা তো বটেই দীপকবাবুর খোঁজ করা হয়েছে জেলাগুলিতেও।

বিভিন্ন স্টেশন ও জনবহুল এলাকায় দীপক পাঁজার ছবি-সহ পোস্টার লাগানো হয়েছিল। নবান্ন অভিযানের দিন শহর কলকাতার বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখে পুলিশ। কিন্তু কোনওভাবেই খোঁজ মেলেনি ওই বামকর্মীর। শুক্রবার অবশেষে বালি স্টেশন থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীপক পাঁজা নামে ওই ব্যক্তি অসংলগ্ন অবস্থায় ছিলেন। কীভাবে তিনি নিখোঁজ হয়ে গেলেন বা এতদিন তিনি কোথায় ছিলেন, সেব্যাপারে এদিন তাঁর সঙ্গে কথা বলে কিছুই জানা যায়নি। এখনও আচ্ছন্নভাব কাটেনি দীপক পাঁজার।

এদিকে, দলের নিখোঁজ কর্মীর সন্ধান মেলায় খুশি হাওড়া জেলা সিপিএম নেতৃত্ব। দলের তরফে দীপক পাঁজার পাঁশকুড়ার বাড়িতেও যোগাযোগ করা হয়েছে। শুক্রবার হাওড়া জেলা সিপিএমের কার্যালয়ে দীপক পাঁজাকে রাখার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁর শারীরিক পরীক্ষাও করা হয়েছে। শনিবার তাঁকে তাঁর পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। দলই দীপক পাঁজাকে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার সবরকম বন্দোবস্ত করবে বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।