মালদহ: জেলায় বাড়ছে করোনার প্রকোপ। বীরভূমের পরেই এই ভাইরাস আক্রান্ত সংখ্যায় মালদহ জেলা। সরকারি হিসাব অনুযায়ী এখনো আক্রান্ত ১২৪৫ জন। এই পরিস্থিতে রাজনৈতিক মিছিল মিটিং গুলিতে অতিরিক্ত জনসমাগম হওয়ার ফলেই এই করোনার বিস্ফোরণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সতর্কতা নেওয়ার কথা মুখে বললেও বাস্তবে তা হচ্ছে না।

যদিও করোনা সংক্রমণের কারণে ইতিমধ্যে সিপিআইএম তথা বামফ্রন্টের তরফে কোনওরকম বড় নির্বাচনী জমায়েত আর হবে না বলেই জানানো হয়েছে। এই পদক্ষেপ ‘নজিরবিহীন’ এমনই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কারণ, নির্বাচন কমিশন করোনা সংক্রমণের কারণে সর্বদলীয় বৈঠকের আগেই সিপিআইএম এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মালদহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, পার্থপ্রতিম কুন্ডু জানান,মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা বিভাগে বেডের সংখ্যা বারানো হয়েছে। অনেকেই হোম আইসোলেশনে রয়েছে। যাদের অবস্থা খারাপ হচ্ছে তাদের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। লাগাতার টেস্ট চলছে ।

জেলা বিজেপির সভাপতি গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল বলেন,আমরা দলের পক্ষ থেকে বার বার আবেদন করেছি যারা মিছিল মিটিংয়ে আসবেন তারা যাতে মাক্স পড়ে ও স্যানিটাইজার নিয়ে আসেন।কিন্তু সবাইকে আটকানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

জেলা তৃণমূল সভানেত্রী মৌসম বেনজির নূর বলেন,মানুষকে সতর্ক আমরা করছি। কিন্তু সবাই তো কথা শুনছে না। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

সুজাপুরে সংযুক্ত মোর্চার কংগ্রেস প্রার্থী ঈশা খান চৌধুরী বলেন,বারবার মানুষকে বুঝিয়ে কোনও লাভ হচ্ছে না। তবে এই সভা-সমিতিগুলিতে লোকজন অতিরিক্ত হওয়ার কারণে করোনা বিস্ফোরণের আশঙ্কা করছেন তিনি।

সবচেয়ে বেশি করেনায় আক্রান্তের খবর আসছে জেলার ইংরেজবাজার ও হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকা থেকে। ইতিমধ্যেই হরিশ্চন্দ্রপুরের একটি রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাংকের শাখা ও হবিবপুরের একটি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের শাখা বন্ধ করা হয়েছে। এখানকার দুই আধিকারিক করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে।

এমন চলতে থাকে তাহলে আরও ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে জেলা মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সম্পাদক জয়ন্ত কুন্ডু। মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স এর পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলিকে, দলীয় কর্মসূচিগুলিতে অতিরিক্ত জনসমাগম না করার আবেদন করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.