তিরুঅনন্তপুরম: দেশের একাধিক রাজ্যের পাশাপাশি কেরলও কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইন বাতিলের দাবি তোলে। এবার কেরল বিধানসভায় কৃষি আইন বিরোধী প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে পাশ হল। বৃহস্পতিবার বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইন বাতিলের দাবি সংক্রান্ত প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে পাশ হয়েছে।

কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইন ‘কৃষক-স্বার্থ বিরোধী’। এমনই দাবি বিরোধীদের। কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে অনড় কৃষকরা। একটানা চলছে দিল্লি ঘেরাও। লক্ষ-লক্ষ কৃষক দিল্লি ঘেরাও করে রেখেছেন।

যদিও বুধবারের বৈঠকে খানিকটা হলেও জট কাটার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। নরম হয়েছে দু’পক্ষই। ইতিমধ্যেই কৃষকদের দুটি দাবি মেনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সব কিছু ঠিকঠাক চললে পরবর্তী বৈঠকেই কৃষি আইন সংক্রান্ত জটিলতার অবসনা ঘটবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

অন্যদিকে, কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইনের প্রতিবাদে এর আগেই একাধিক রাজ্য প্রস্তাব পাশ করিয়েছে। এবার সেই তালিকায় নবতম সংযোজন বামশাসিত কেরল। শুরু থেকেই কৃষি আইনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিল কেরলের বাম সরকার। কেরল সরকারই প্রথম নয়া আইনের বিরোধিতায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল।

এরপর মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাশের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে কেরলের রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের তৎপরতায় সাড়া দেননি। রাজ্যপালের অসহযোগিতা সত্ত্বেও থেমে থাকেননি ক্ষুরধার রাজনীতিবিদ বিজয়ন।

শেষমেশ ৩১ ডিসেম্বর বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডাকেন তিনি। এই অধিবেশনেই কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইন বিরোধী প্রস্তাব পাশ করিয়ে নেন তিনি। এদিনও নয়া কৃষি আইন বাতিলের দাবি তুলেছেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। দিল্লিতে কৃষকদের বিক্ষোভের পাশে তিনি সর্বোতভাবে রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন।

এদিকে, কৃষকদের সঙ্গে কেন্দ্রের ষষ্ঠবারের বৈঠকে খানিকটা হলেও জট কাটার ইঙ্গিত মিলেছে। কৃষক ও কেন্দ্রের মধ্যে ষষ্ঠ দফার বৈঠক শেষ হয়েছে বেশ সদর্থক সুরেই। পরবর্তী বৈঠক ৪ জানুয়ারি হবে।

বুধবার কৃষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পরে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর বলেছেন, ‘‘যতক্ষণ না কোনও সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আলোচনা চলবে। কৃষকদের সঙ্গে বৈঠকে সমাধানের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। পরিবেশ সংক্রান্ত একটি ইস্যুতে ঐক্যমত্য পাওয়া গিয়েছে। পারালি বা বিচালি পোড়ানোর বিষয়টিতে সহমত হওয়া গিয়েছে। চারটি ইস্যুর মধ্যে দুটি ইস্যুতেই কেন্দ্র ও কৃষকদের মত মিলেছে।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।