কলকাতা: এবারকার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে মূল প্রতিপক্ষ হিসেবে নিঃসন্দেহে নাম রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি)। যুযুধান এই দুই পক্ষের মাঝে আসরে রয়েছে জোটও। বামফ্রন্ট, কংগ্রেস ও আইএসএফ-এর এই জোট যে তৃণমূল বা বিজেপি উভয়েরই কিছু জায়গায় যাত্রাভঙ্গ করতে সক্ষম, একথা মেনে নিচ্ছেন বেশ কিছু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও।

আগের নির্বাচনে বাম-কং জোট হালে পানি না পেলেও এবার পরিস্থিতি কিছুটা অন্যরকম।। বিজেপির মোদী ম্যাজিক এখনও থাকলেও কৃষক আন্দোলন, গ্যাস-পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধি সহ একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্র সরকারের ওপরের বেশ কিছুটা বিরূপ আমজনতা। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতা ঘাসফুল ছেড়ে পদ্ম হাতে নিয়েছেন। বাম-কং জোটে সামিল হয়েছেন আব্বাস সিদ্দিকি। ফলে বহর ও গুরুত্ব বেড়েছে জোটের।

শুক্রবারে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার দিনেই নিজেদের প্রথম দুই দফার ভোটের জন্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারে বামেরা। জানা গিয়েছে, এবার সিপিআইএমের প্রার্থী তালিকায় চমক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তরুণ প্রজন্মের মুখের ওপর ভরসা রাখতে পারে দল। অন্যদিকে বামফ্রন্টে যে শরিক দলগুলি রয়েছে, তার মধ্যে ফরওয়ার্ড ব্লক ১৮ থেকে ১৯ টি আসনে, আরএসপি ১১ টি আসনে, সিপিআই ১০ টি আসনে লড়তে পারে।

বামেরা নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করলেও, দিল্লির অনুমতি না মেলা অবধি যেহেতু কংগ্রেস প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারবে না, তাই শুক্রবার জোটের তরফে বামেরা একারাই প্রথম দু দফা ভোটে নিজেদের প্রার্থী তালিকা সামনে আনতে পারে।

অন্যদিকে আজ প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করছে তৃণমূল কংগ্রেসও। খবর মোতাবেক, আজ শুক্রবার ২৯৪ টি আসনের ক্ষেত্রেই পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে তৃণমূল। কারা কোথায় প্রার্থী হচ্ছেন সম্ভবত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই ঘোষণা করবেন। তবে তিনি নিজে যে নন্দীগ্রাম থেকে এবার লড়বেন তা নিশ্চিত করেছেন আগেই।

এবারে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় একাধিক চমক থাকতে পারে। আগের তুলনায় মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকার সম্ভাবনা আছে। একই সঙ্গে বেশ কিছু নতুন মুখ দেখা যেতে পারে। অন্যদিকে যাদের বয়স ৮০ অতিক্রম করে গিয়েছে, তাঁরা আর টিকিট পাবেন না বলে ঠিক করা হয়েছে। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে তৃণমূল নজর দিয়েছে মহিলা, যুবা ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির দিকে৷

অন্যদিকে বিজেপিও আজই প্রথম দু’দফার জন্য প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে। দ্বিতীয় দফার ভোট যে সব জায়গায় হবে তার মধ্যে নন্দীগ্রামেরও নাম রয়েছে তাই এদিন এখানকার প্রার্থী ঘোষণার সম্ভাবনা প্রবল। সম্ভবত শুভেন্দু-ই প্রার্থী হবেন নন্দীগ্রাম থেকে। ফলে মমতা-শুভেন্দু দ্বৈরথ হবে নন্দীগ্রামে। অন্যদিকে আব্বাসের পরিবারের কেউ জোটের তরফে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.